মাত্র পাওয়া :
ক্ষমা চাওয়া না, তবে যেভাবে বিদেশে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে খালেদার মৃ’ত্যুশয্যায় হঠাৎ একি প্রশ্ন করে বসলেন খালেদা, এর জবাব কি কারো কাছে আছে? কোরআনের হাফেজদের জন্য খাবার ফ্রি করে দিল হোটেল মালিক বাবা মা ছিলেন চেয়ারম্যান, এবার মেয়েও হলেন চেয়ারম্যান শান্তির ধর্ম ইসলাম গ্রহণের আনন্দে কেঁদে ফেললেন ফরাসি তরুণী ভারত থেকে ভিক্ষা করতে বাংলাদেশে এসে আটক সীতারাম কখনো নারী কখনো পুরুষ বাংলাদেশি বিউটি ব্লগার সাদের আজব জীবন সৌদিতে নারী গৃহকর্মী পাঠানোর পর কেউ আর খোঁজ নেয় না মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের কারাগারে বন্দী ২০ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি কুয়েতে সাবেক এমপি ও পাপলুসহ ৫ ভিআইপির ৭ বছরের সা’জা

এলাকার টেপ টেনিস থেকে রাজার জাতীয় দলে খেলার স্বপ্নপূরণ

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২১
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

অনেকটা চমক দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের টেস্ট স্কোয়াডে সুযোগ পেয়েছেন রেজাউর রহমান রাজা। দুদিন আগেও বিন্দুমাত্র আলোচনা ছিল না তাঁকে নিয়ে। এখন তিনি জাতীয় দলের সদস্য। সবকিছু যেন স্বপ্নের মতো। এ স্বপ্নের শুরুটা হয়েছিল টেপ টেনিস ক্রিকেট দিয়ে। নিজের এলাকায় টেপ টেনিস খেলা রাজা এখন ক্রিকেটে নিজের স্বপ্ন পূরণের পথে।

তাসকিন আহমেদ এবং শরিফুল ইসলামের চোটের কারণে টেস্ট দলে সুযোগ হয়েছে রাজার। দলের সঙ্গে এ মুহূর্তে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রস্তুতি নিচ্ছেন সিলেটের এ পেসার। প্রস্তুতির ফাঁকেই জানালেন, ক্রিকেটে তাঁর পথচলার গল্প।

আজ বুধবার বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় রাজা বলেন, “আসলে টেপ টেনিস খেলা থেকে মূলত (ক্রিকেটার হওয়ার) অনুপ্রাণিত হওয়া। এলাকায় টেপ টেনিস খেলতাম। তখন একটা ক্রিকেট বলের টুর্নামেন্ট হয়েছিল। আমি সেখানে খেলতে যাই। বড় ভাইরা আমার বোলিং দেখে বলছিলেন, ‘তোর বোলিং ভালো হচ্ছে, চাইলে স্টেডিয়ামে গিয়ে ক্রিকেট প্র্যাকটিস করতে পারিস।’’’

সেখান থেকেই যাত্রা শুরু রাজার, ‘তো, আমি বড় ভাইদের কথা শুনে অনুশীলনে গেলাম। অনুশীলনে গিয়ে আমার মনে হলো যে, ইনশাআল্লাহ আমি পারব। এভাবেই আসলে আমার ক্রিকেটে আসা।’

নতুন যাত্রা চ্যালেঞ্জিং কি না, জানতে চাইলে রাজা বলেন, ‘আসলে চ্যালেঞ্জ নেওয়া পছন্দ করি। আমাদের বড় ভাইদের কাছ থেকে অনুপ্রাণিত হওয়া। আমাদের সিলেটে যেমন রাহি ভাই, ইবাদত ভাই, খালেদ ভাইদের কাছ থেকে মোটিভেশন পাওয়া।

এ থেকেই আসলে পেস বোলার হওয়ার একটা উৎসাহ জেগেছে। তা ছাড়া টেস্ট খেলা আমি উপভোগ করি। আলহামদুলিল্লাহ ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রথম শ্রেণিতে ভালো করেছি। চার দিনের খেলায় ডে বাই ডে কয়েকটা স্পেলে বোলিং করতে পারি।

আমার শক্তির জায়গাটা ধরে রাখতে পারি। আমার নিজের যেটা মনে হয় যে, এক জায়গায় টানা বল করতে পারি। বলে কিছু মুভমেন্ট করাতে পারি। এক রিদমে টানা বল করতে পারি। দিনের শুরুতে যে পেসে বোলিং করি, দিনের শেষে তার চেয়ে একটু বেশি পেসে বল করতে পারি।’

বন্ধুকে সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও যা পড়ে দেখতে পারেন
kidarkar
Copyright © 2021 All rights reserved www.mediamorol.com