মাত্র পাওয়া :
ক্ষমা চাওয়া না, তবে যেভাবে বিদেশে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে খালেদার মৃ’ত্যুশয্যায় হঠাৎ একি প্রশ্ন করে বসলেন খালেদা, এর জবাব কি কারো কাছে আছে? কোরআনের হাফেজদের জন্য খাবার ফ্রি করে দিল হোটেল মালিক বাবা মা ছিলেন চেয়ারম্যান, এবার মেয়েও হলেন চেয়ারম্যান শান্তির ধর্ম ইসলাম গ্রহণের আনন্দে কেঁদে ফেললেন ফরাসি তরুণী ভারত থেকে ভিক্ষা করতে বাংলাদেশে এসে আটক সীতারাম কখনো নারী কখনো পুরুষ বাংলাদেশি বিউটি ব্লগার সাদের আজব জীবন সৌদিতে নারী গৃহকর্মী পাঠানোর পর কেউ আর খোঁজ নেয় না মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের কারাগারে বন্দী ২০ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি কুয়েতে সাবেক এমপি ও পাপলুসহ ৫ ভিআইপির ৭ বছরের সা’জা

পিঠা বিক্রি করেই ঢাকায় জমি কিনেছেন রাশিদা

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২১
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

হাজারো স্বপ্ন নিয়ে প্রতিনিয়ত অগনিত মানুষ পাড়ি জমাচ্ছে রাজধানী ঢাকায়। প্রতিটি জীবনযুদ্ধই একটা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল সামনে রেখে।

অর্থনৈতিক সচ্ছলতা নিয়ে একটু ভালো থাকা। তার ওপর যদি রাজধানীর বুকে এক টুকরো থাকার জায়গা করে নেয়া যায়, তবে স্বপ্ন ও তার বাস্তবায়ন যেন সোনায় সোহাগা।

প্রবল ইচ্ছা, ধৈর্য, পরিশ্রম থাকলে জীবনে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো অসম্ভব কিছু নয়। সুখ পাখিটা কখনোই হাতছাড়া হবে না, সঙ্গে যদি থাকে সততা।

এমন হাজারো গল্পের ভিড়ে একটু একটু করে নিজের জীবনের গল্পটা সাজিয়েছেন রাশিদা বেগম। মগবাজারে রেললাইনের পাশেই পিঠা বিক্রি করে রাজধানীর বুকে কিনেছেন এক টুকরো জমি। সেই সঙ্গে সন্তানদেরও করাচ্ছেন লেখাপড়া।

আমি সবচেয়ে ভালো আছি। অনেক ভালো আছি। আল্লাহ পাক অনেক ভালো রাখছেন। সবাই যদি পরিশ্রম করে, হালাল টাকা উপার্জন করে, তাহলে সবার পক্ষেই সফল হওয়া সম্ভব

জীবনযুদ্ধে তার একমাত্র সঙ্গী ছিলেন স্বামী। একটা সময় রিকশা চালালেও স্বামী-স্ত্রী দুজনেরই পরিশ্রমে এখন তার স্বামী একজন ক্ষুদ্র ফার্নিচার ব্যবসায়ী। দীর্ঘ কিংবা স্বল্প যেকোনো ভাবেই সংজ্ঞায়িত হোক না কেন, রজধানীর বুকে এক টুকরো থাকার জায়গা করতে তার পরিশ্রমটা ১১ বছরের।

মালিবাগ মোড় থেকে রেললাইন ধরে মগবাজারের দিকে দুই মিনিট হাঁটলেই বাম পাশে দেখা মিলবে রাশিদা বেগমের। বিকেল ৫টায় দোকান খোলেন, বন্ধ করেন রাত ৯টা সাড়ে ৯টার মধ্যে।

এই সময়ের মধ্যে প্রতিদিন এক থেকে দেড় হাজার টাকার পিঠা বিক্রি করেন তিনি। রাশিদা বেগমের পিঠার দোকানের সামনে গেলেই দেখা যায়, তিনটি মাটির চুলার মধ্যে একটিতে ভাপা পিঠা ও অন্য দুটিতে চিতই পিঠা বানাচ্ছেন। প্রতিটি ভাপা ১০ টাকা ও চিতই পিঠার দাম ৫ টাকা।

চিতই পিঠার সঙ্গে আছে সরিষা বাটা ও ধনেপাতার সঙ্গে মরিচ বাটা। বেশিরভাগ সময়ই একাই পিঠা বিক্রি করেন। ছোট্ট মেয়েটাকেও সঙ্গে করে আনেন। মায়ের পাশে বসেই খেলা করে সে। অষ্টম শ্রেণিপড়ুয়া বড় ছেলে মাঝে মাঝে এসে মাকে সহযোগিতা করে। দ্বীতিয় শ্রেণিপড়ুয়া ছোট ছেলে মায়ের পাশে এসে মাঝে মাঝে বসে থাকে।

রাশিদা বেগমের সঙ্গে কথা হয় জাগো নিউজের। কত বছর ধরে পিঠা বিক্রি করেন জানতে চাইলে রাশিদা বলেন, ‘বিয়ার পরপরই পিঠা বিক্রি শুরু করছি। স্বামী-স্ত্রী দুজনে মিলে খাটাখাটি শুরু করি। আমার স্বামীর আগে একটা রিকশা ছিল। দুজনের পরিশ্রমে এখন তার একটা ছোট ফার্নিচারের দোকান আছে। আমিও গত ১১ বছর ধরে পিঠা বিক্রি করছি।’

বন্ধুকে সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও যা পড়ে দেখতে পারেন
kidarkar
Copyright © 2021 All rights reserved www.mediamorol.com