প্রধানমন্ত্রী চাইলে ফাঁ;সিতে ঝুলবো, তবু অন্তত সমর্থক হয়ে থাকতে চাইঃ কাঁদলেন মেয়র জাহাঙ্গীর

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় রবিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী লীগ থেকে আজীবন বহিষ্কার হয়েছেন দলটির গাজীপুর মহানগর সাধারণ সম্পাদক ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযু;;দ্ধে শহীদদের প্রতি কটূক্তি করে দল থেকে কারণ দর্শানো এ নেতাকে দলের পদ থেকে বহিষ্কারের পাশাপাশি তার প্রাথমিক সদস্যপদও বাতিল করা হয়েছে। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

নতুন খবর হচ্ছে, জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি বলেন, আমি বিনা কারণে ফাঁ;;সিতে ঝুলব। আমাকে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক থেকে বহিষ্কার করলেও আমার আপত্তি নাই। আমি পদ-পদবি চাই না। আমি আওয়ামী লীগের সমর্থক হিসাবে বাঁচতে চাই।”

এভাবেই সাংবাদিকদের সামনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন আওয়ামী লীগ থেকে সদ্য-আজীবন বহিষ্কৃত গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। দুপুর ১২টায় গাজীপুর মহানগরীর হারিকেন এলাকায় নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ কথা বলেন। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে সকলের সামনে তাকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। এ সময় মেয়রের সাথে থাকা কর্মীরাও আবেগ-আপ্লুত হয়ে পড়েন।

এর আগে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভায় জাহাঙ্গীরকে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ওই সিদ্ধান্তের পর থেকেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়ায় জাহাঙ্গীর দাবি করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রীকে ভুল বোঝানো হয়েছে। আজকেও সংবাদ সম্মেলনে সেই অভিযোগ আবারও করলেন জাহাঙ্গীর। তার দাবি, আমি যখন ছাত্র রাজনীতিতে ছিলাম, তখন থেকেই আমার বিরুদ্ধে ষ;ড়যন্ত্র শুরু হয়।

পরবর্তীতেও আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র থামেনি। কিছু লোক ২০১৩ সালের পর থেকে আমাকে ও আমার পরিবারকে বিভিন্নভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য পেছনে লেগে ছিল। প্রধানমন্ত্রীকে ভুল তথ্য দিয়ে তারা আমাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

প্রকাশিত তথ্য ও ফুটেজকেও আংশিক উপস্থাপন অভিহিত করে তিনি বলেন, আমি তিন ঘন্টা কথা বলেছি ঘরে, সেটাকে তিন মিনিট, পাঁচ মিনিট। আমি বাহিরে কথা বলেছি ১ ঘণ্টা, সেখান থেকে ১৫ সেকেন্ড, ৩০ সেকেন্ড বিভিন্ন কথা থেকে মূল কথা বাদ দিয়ে তারা এডিট করেছে। যারা মানুষের বেডরুমে ঢুকে কথা রেকর্ড করেছে, তাদের বিচায় হয় নাই! যারা রাস্তাঘাটে গাড়ি ভাঙচুরের সাথে জড়িত ছিল, তাদের বিচার হয় নাই!

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমি যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সরাসরি আমার ওই অডিও/ভিডিওর বিষয়ে কথা বলতে পারতাম, তবে প্রধানমন্ত্রী সবকিছু বুঝতে পারতেন। তখন তিনি হয়তো আমার ব্যাপারে এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নিতেন না।

বন্ধুকে সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও যা পড়ে দেখতে পারেন
kidarkar
Copyright © 2021 All rights reserved www.mediamorol.com