মাত্র পাওয়া :
ক্ষমা চাওয়া না, তবে যেভাবে বিদেশে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে খালেদার মৃ’ত্যুশয্যায় হঠাৎ একি প্রশ্ন করে বসলেন খালেদা, এর জবাব কি কারো কাছে আছে? কোরআনের হাফেজদের জন্য খাবার ফ্রি করে দিল হোটেল মালিক বাবা মা ছিলেন চেয়ারম্যান, এবার মেয়েও হলেন চেয়ারম্যান শান্তির ধর্ম ইসলাম গ্রহণের আনন্দে কেঁদে ফেললেন ফরাসি তরুণী ভারত থেকে ভিক্ষা করতে বাংলাদেশে এসে আটক সীতারাম কখনো নারী কখনো পুরুষ বাংলাদেশি বিউটি ব্লগার সাদের আজব জীবন সৌদিতে নারী গৃহকর্মী পাঠানোর পর কেউ আর খোঁজ নেয় না মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের কারাগারে বন্দী ২০ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি কুয়েতে সাবেক এমপি ও পাপলুসহ ৫ ভিআইপির ৭ বছরের সা’জা

এবার জাঁকিয়ে ঠাণ্ডা পড়তে পারে

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় রবিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২১
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

কার্তিক মাস শেষে অগ্রহায়ণ চলছে। ক’দিন বৃষ্টির পর এখন হিম হিম ভাব। তাই আমজনতার প্রশ্ন শীত কী এসে গেল! আর এখানেই ভুল ভাঙছেন আবহাওয়াবিদরা। তাদের বক্তব্য, শীত এখনও দূরে। এখন সাঁঝ-প্রভাতে যে ঠাণ্ডার আমেজ মিলছে সেটা শীতের পূর্বাভাস মাত্র। প্রবেশ করেছে উত্তুরে হাওয়া।

দিনে আর রাতে তাপমাত্রার পার্থক্য এখনও দ্বিগুণের কাছাকাছি। লা নিনার প্রভাবে এবার জাঁকিয়ে ঠাণ্ডা পড়তে পারে বলে আবহাওয়াবিদদের শঙ্কা। এখন যে মেঘলা আকাশ, একটু খানি রোদ্দুর-তা বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে। যার গন্তব্য এখন ভারতের তামিলনাড়ুর দিকে।

আবহাওয়াবিদ এ কে এম রুহুল কুদ্দুস জানান, গত কয়েকদিন দিনের বেলা আকাশে মেঘ থাকায় সূর্যের তাপ সেভাবে পড়েনি। তাই তাপমাত্রা কিছুটা কমে গিয়েছে। কিন্তু দিনের তাপমাত্রা এখনও বেশি আছে। তাপমাত্রা মূলত নেমে যাচ্ছে রাতের বেলায়। এ কারণে মনে হতে পারে যে শীত পড়ছে।

বিশেষ করে রংপুর, সিলেট অঞ্চলে রাতের তাপমাত্রা অনেকটাই কমে যাচ্ছে। কিন্তু তার মানে এই না যে শীত পড়েছে। এর কারণ হিসেবে তিনি জানান, রাতে শীত শীত অনুভূত হলেও দিনের বেলায় তেমন শীত নেই। দিনে আর রাতে তাপমাত্রার পার্থক্য এখনও দ্বিগুণের কাছাকাছি। যখন দিনের আর রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসবে, তখনই আমরা বলতে পারবো যে শীত পড়েছে।

আবহাওয়ার পর্যবেক্ষণ পূর্বাভাস প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি মাসের শেষের দিকে দেশের উত্তরাঞ্চলে এবং ডিসেম্বর মাসের প্রথমদিকে ঢাকাসহ সারাদেশে শীত বাড়তে পারে। এখনও দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা শীতের মৌসুমের চেয়ে কয়েক ডিগ্রি বেশি থাকায় আপাতত শীত জেঁকে বসার কোনও সম্ভাবনা নেই।

আগামী বছরের জানুয়ারিতে দেশে দুইটি তীব্র শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে। ডিসেম্বরের শেষের দিকে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এক থেকে দুটি মৃদু (৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং মাঝারি (৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানান, শীতকাল মূলত ডিসেম্বর মাসেই শুরু হবে। নভেম্বরের শেষে তাপমাত্রা কমার প্রবণতা হ্রাস পাবে। চলতি নভেম্বর মাসে দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা হ্রাস পেলেও স্বাভাবিক থাকবে গড় তাপমাত্রা। এ মাসে বঙ্গোপসাগরে ১-২ টি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

তিনি আরও জানান, এ মাসের শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদ-নদী অববাহিকায় মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের প্রধান নদ ও নদীতে স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় থাকতে পারে। তিনি বলেন, ডিসেম্বর মাসে রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেলেও স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হবে।

এ ছাড়া দুই থেকে তিনটি মৃদু (৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে মাঝারি (৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ধরনের শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এবং নদ-নদী অববাহিকায় মাঝারি অথবা ঘন কুয়াশা এবং অন্যস্থানে হালকা বা মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

বন্ধুকে সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও যা পড়ে দেখতে পারেন
kidarkar
Copyright © 2021 All rights reserved www.mediamorol.com