তৃতীয় স্ত্রীর সহায়তায় চতুর্থকে মেরে আশ্রয় নেন দ্বিতীয় স্ত্রীর বাসায়

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

চতুর্থ স্ত্রীর চালচ’লন নিয়ে স’ন্দে’হ করতেন স্বামী সোহাইল আহমেদ। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগ’ড়া হতো। ঝগড়ার জের ধরেই তৃতীয় স্ত্রীর সহায়তায় একসময় চতূর্থ স্ত্রীকে হ’ত্যা’ করেন সোহাইল। এরপর বিভিন্ন স্থানে কিছু দিন অবস্থান করে চলে যান দ্বিতীয় স্ত্রীর বাসায়। চট্টগ্রামে দেড় বছর আগে সং’ঘ’টিত এই হ’ত্যাকা’ণ্ডের রহস্য উন্মো’চন হয়েছে।

এ ঘটনায় জ’ড়িত থাকার অভি’যোগে নিহত লাকী আক্তার পিংকীর স্বামী সোহাইল আহমদকে (৪০) বাগেরহাট থেকে গ্রে’ফতার করেছে নগরীর হালিশহর থানা পুলিশ। এ হ’ত্যা মা’মলা’য় সোহাইল ছাড়া তার তৃতীয় স্ত্রী নাহিদা আক্তারকেও গ্রে’প্তার করা হয়েছে।

হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, গত বছরের ২১ জুলাই হালিশহরের রহমানবাগ আবাসিক এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে অ’র্ধগ’লিত অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর ম’রদে’হ উ’দ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পরদিন হালিশহর থানার মাম’লা করেন ভবনের কেয়ারটেকার নূর নবী।

মাম’লার তদ’ন্তে বাসা ভাড়া নেয়ার সময় ওই নারীর স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ছাড়া আর কোনো ক্লুই ছিল না পুলিশের হাতে। এক বছরের বেশি সময় তদ’ন্তের পর নিহ’তের স্বামী সোহাইলকে শনাক্ত করে সম্প্রতি খুলনার বাগেরহাট থেকে গ্রে’প্তার করে পুলিশ। তাকে গ্রে’প্তারের পর মেলে নিহত না’রীর পরিচয়।

সোহাইল পুলিশকে জানিয়েছেন, নিহ’তের নাম লাকী আক্তার পিংকি। তার ডাকনাম আফসানা। তিনি দক্ষিণ পতেঙ্গার ডুরিয়া পাড়া এলাকার মোহাম্মদ হোসেনের মেয়ে। ২৫ বছরের আফসানা তার চতুর্থ স্ত্রী ছিলেন। আফসানার চলাচল নিয়ে সোহাইলের স’ন্দে’হ ছিল। এসব নিয়ে প্রায়ই তার সঙ্গে ঝ’গড়া হতো। এর জের ধরেই তৃতীয় স্ত্রী নাহিদার সহায়তায় তিনি আফসানাকে হ’ত্যা করেন।

ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সোহাইল ও আফসানা একই পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। সেই সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্প’র্ক গড়ে উঠে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বিয়ে করে তারা হালিশহরের ভাড়া বাসায় থাকা শুরু করেন। আফসানাকে হ’ত্যার পর সোহাইল কিছু দিন নারায়ণগঞ্জ, সাভার ও গাজীপুরে থাকেন। পরে বাগেরহাটে দ্বিতীয় স্ত্রী নাছিমার কাছে চলে যান। সেখানেই এত দিন অবস্থান করছিলেন তিনি।

এ হ’ত্যায় সোহাইলের তৃতীয় স্ত্রী নাহিদার সম্পৃক্ততা মিলেছে জানিয়ে পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, আফসানার পরিচয় শুধু সোহাইল আর নাহিদা জানত। আর আফসানার ম’রদেহ উ’দ্ধা’রের সময় তাতে পচন ধরে যাওয়ায় তখন পরিচয় শনা’ক্ত করা যায়নি। সোহাইল স্থান পরিবর্তন করে বাগেরহাটে গেলেও হ’ত্যায় যু’ক্ত নাহিদা পতেঙ্গায় থেকে যান। সেখান থেকেই তাকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে। তবে দ্বিতীয় স্ত্রী নাছিমার সংশ্লিষ্টতা মেলেনি।

বন্ধুকে সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও যা পড়ে দেখতে পারেন
kidarkar
Copyright © 2021 All rights reserved www.mediamorol.com