মাত্র পাওয়া :
ক্ষমা চাওয়া না, তবে যেভাবে বিদেশে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে খালেদার মৃ’ত্যুশয্যায় হঠাৎ একি প্রশ্ন করে বসলেন খালেদা, এর জবাব কি কারো কাছে আছে? কোরআনের হাফেজদের জন্য খাবার ফ্রি করে দিল হোটেল মালিক বাবা মা ছিলেন চেয়ারম্যান, এবার মেয়েও হলেন চেয়ারম্যান শান্তির ধর্ম ইসলাম গ্রহণের আনন্দে কেঁদে ফেললেন ফরাসি তরুণী ভারত থেকে ভিক্ষা করতে বাংলাদেশে এসে আটক সীতারাম কখনো নারী কখনো পুরুষ বাংলাদেশি বিউটি ব্লগার সাদের আজব জীবন সৌদিতে নারী গৃহকর্মী পাঠানোর পর কেউ আর খোঁজ নেয় না মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের কারাগারে বন্দী ২০ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি কুয়েতে সাবেক এমপি ও পাপলুসহ ৫ ভিআইপির ৭ বছরের সা’জা

স্ত্রীকে ফিরে পেতে গাছে গাছে বিলবোর্ড টানিয়েছেন যুবক

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০২১
  • ৪৯ বার পড়া হয়েছে

ভালোবেসে প্রেমিকাকে বিয়ে করেছিলেন মজিবর রহমান। তাদের সংসারে ছিল না কোনো ধরণের অ’শান্তি। তবুও ভালোবাসার সংসার থেকে হঠাৎ একদিন স্ত্রীকে হা’রিয়ে পা’গলপ্রা’য় তিনি। জানা গেছে, পেশায়

ইজিবাইক চালক মজিবর রহমান একমাত্র বৃদ্ধা মাকে নিয়ে বসবাস করেন নরসিংদী শহরের নাগরিয়াকান্দি এলাকায়। বাবা জয়নাল গাজী মা’রা গেছেন প্রায় ২০ বছর আগে। ইজিবাইক চালিয়ে সংসার চালান। কয়েক

বছর আগে রায়পুরা উপজলোর মরজাল কামারটকে এলাকার নজরুল ইসলামের বড় মেয়ে সুমি বেগমের সঙ্গে পরিচয় হয় মজিবরের। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রে’মের স’ম্পর্ক গড়ে উঠে। সেই সম্প’র্ক শেষ পর্যন্ত বিয়েতে গড়ায়। নরসিংদীর একটি কাজি অফিসে বিয়ে হয় তাদের। মজিবর তার নিজ বাড়িতে স্ত্রী ও একমাত্র বৃ’দ্ধা মাকে নিয়ে সুখেই দিন পার করছিলেন। এভাবেই কেটে যায় আরো দেড় বছর। মজিবর সারাদিন ইজিবাইক চা’লিয়ে যা আয় করেন তাই দিয়ে তিনজনের সংসার ভা’লোই চলছিল। প্রায় দেড়মাস আগে মজিবর রোজগারের স’ন্ধানে ইজিবাইক নিয়ে বের হয়ে বাড়ি ফিরে দেখেন প্রিয়তমা স্ত্রী ঘরে নেই।

মার কাছ থেকে জানতে পারেন- সুমি তার বাবার বাড়ি চলে গেছেন। পরদিন ছুটে যান শ্বশুরবাড়ি। সেখানেই সুমির সন্ধান পান। স্ত্রীকে আনতে চাইলেও বাধা দেন শাশুড়ি লিলি বেগম। এ সময় জানতে পারেন- শাশুড়ি ফু’স’লিয়ে সুমিকে তার স্বা’মীর বাড়ি থেকে নিয়ে আসেন। পরিবারের বড় হওয়ায় সুমিকে শিবপুর উপজেলার বিসিক আমতলার একটি গার্মেন্টে চাকরি দেন মা লিলি বেগম। স্ত্রী না আসায় মজিবর একপ্রকার পাগ’লপ্রা’য় হয়ে পড়েন। প্রিয়তমা স্ত্রীকে ফিরে পেতে নরসিংদী শহর ও সুমির সম্ভাব্য যাতায়াত পথসহ বিভিন্ন স্থানে বেশ কিছু বিলবোর্ড টানিয়েছেন মজিবর। কতটি বিলবোর্ড টানিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে মজিবর জানান, ২৫টি বিলবোর্ড টানিয়েছেন।

কেন টানিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় বছরের প্রেম, তারপর বিয়ে, সুমিকে অনেক ভালোবাসেন তিনি। বিয়ের দেড় বছরে একবারও ঝ’গড়া হয়নি। হয়নি কোনো গা’লম’ন্দও। তাকে না পেলে বাঁচবেন না। লোকজন বিলবোর্ড দেখে তাকে যেন সবাই সুমির খবর দেয়। এছাড়া সুমির চোখে পড়লে সেও যেন তার কাছে চলে আসে। তার জন্য এই অভিনব বিলবোর্ড টানিয়েছেন তিনি। থা’না’য় কোনো অভি’যোগ করেছেন কিনা জানতে চাইলে মজিবর জানান, সে তার বাবার বাড়ি আছে, তাই অভি’যোগ করার প্রয়োজন মনে হয়নি। ভালোবাসার টানে সুমি চলে আসবে- সেই অপে’ক্ষায় প্র’হ’র গুনছেন মজিবর।

বন্ধুকে সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও যা পড়ে দেখতে পারেন
kidarkar
Copyright © 2021 All rights reserved www.mediamorol.com