মাত্র পাওয়া :
চামচামি আমার রক্তে নেই: মিশা মালয়েশিয়ায় রিক্যালিব্রেশন কর্মসূচির অধীনে বিদেশী কর্মী নিয়োগের আহবান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হোটেলে কক্ষে স্বামীর লাশ রেখে দেবরের হাত ধরে উধাও স্ত্রী ডিসেম্বর-জানুয়ারির মধ্যে গণঅভ্যুথানের ডাক বিএনপির খালেদা জিয়া একটা অভিশপ্ত নাম, তার কী হয়েছে তাতে কিছু আসে যায় না: নৌ প্রতিমন্ত্রী ওমানের ডেন্টাল কলেজে প্রথম হলেন বাংলাদেশী কন্যা নিলুফা বাংলাদেশকে নিজেদের অংশ দাবি ভারতীয় নায়িকার নির্বাচনে জিতেও চা বেচবেন মাজেদা, পাচ্ছেন মানুষের ভালবাসা ‌‘খালেদা জিয়াকে বিষ প্রয়োগ করায় বিদেশ যেতে দেওয়া হচ্ছে না’ কক্সবাজারে চালু হলো ঝুলন্ত রেস্টুরেন্ট, ঘণ্টায় খরচ ৪ হাজার টাকা

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে গৃ’হব’ধূর অবাক করা চিঠি

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় রবিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২১
  • ১১৩ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পা’গলা ম’সজিদের দানবাক্স চার মাস ১৭ দিন পর আবারও খোলা হয়েছে। আটটি সিন্দুকে পাওয়া গেছে ১২ বস্তা টাকা। শনিবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে বাক্স খোলার পর সন্ধ্যা ৭টা

পর্যন্ত গণনা শেষে সেখানে তিন কোটি সাত লাখ ১৭ হাজার ৫৮৫ টাকা পাওয়া গেছে। এদিকে দানবাক্সে দেশি মুদ্রা, স্বর্ণ-রৌপ্য অলঙ্কারের সঙ্গে এক গৃ’হব’ধূর চিঠি পাওয়া গেছে। অজ্ঞা’ত এক গৃ’হবধূ’র চিঠি পড়ে টাকা

গণনার তদা’রকি কাজে নিয়োজিত কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা খানম। চিঠির একটি ছবিও তুলে রাখেন। ওই গৃহ’বধূ চিঠিতে লেখেন- হে আল্লাহ, পাগলা মসজিদের রহমতে মাসুমকে টাকা-পয়সা আসার ব্যবস্থা করে দিও।

হে আল্লাহ তুমি সাহায্য কর। তুমি ছাড়া কোনও মাবুদ নেই। হে আল্লাহ পাগলা মসজিদের রহমতে আমার স্বা’মী যেন অনেক টাকা-পয়সার মালিক হয়। সব ঋ’ণ থেকে, অভা’ব থেকে-মানুষের ক’টূ কথা থেকে মু’ক্তি পায়। হে আল্লাহ তুমি দয়া কর। পাগলা মসজিদের রহমতে আমার স্বা’মীর সব দুঃখ দূর করে দিও। অনেক আশা নিয়ে এসেছি তোমার দরবারে।

খালি হাতে ফিরিয়ে দিওনা পাগলা মসজিদের রহমতে। এদিকে দুপুর সোয়া ২টা পর্যন্ত প্রশাসন, ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্স মাদরাসা-এতিমখানার কয়েকশ শিক্ষক-শিক্ষার্থী টাকা গণনা করে তিন কোটি টাকা পান। পাগলা মসজিদে দান করলে মনের ইচ্ছেপূরণ হয়, এমন বিশ্বাসে মুসলমান ছাড়াও অন্যান্য ধর্মের লোকজন এখানে দান করে থাকেন।

নগদ টাকা ছাড়াও পাওয়া যায়, চাল, ডাল, গবাদিপ’শু আর হাঁ’স-মু’রগি। এসব পণ্য নিলামে বিক্রি করে জমা করা হয় মসজিদের ব্যাংক অ্যা’কাউন্টে। জনশ্রুতি রয়েছে, ৫০ বছর আগে এক সাধু পু’রুষ নরসু’ন্দা নদী’র মাঝখানে পানিতে মাদু’র পেতে আশ্রয় নেন। তার মৃ’ত্যু’র পর স’মাধির পাশে এই মসজিদটি গড়ে ওঠে। সেই থেকে পাগলা মসজিদ নামে পরিচিতি পায় মসজিদটি।

বন্ধুকে সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও যা পড়ে দেখতে পারেন
kidarkar
Copyright © 2021 All rights reserved www.mediamorol.com