মালদ্বীপে আনন্দে মে’তেছেন নায়িকা সাবা, ভি’ডিও ভা’ইরাল

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় বুধবার, ৩ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

ভিডিও দেখে দর্শকের ঠিক বোঝার উপায় নেই, তিনি বাংলাদেশি নাকি বিদেশি অভিনেত্রী। হুট করে দেখে চেনাই যাবে না কে এই তরুণী? ঠোঁটে হালকা লিপিস্টিক, চুল পেছনে টেনে চূড়ো করে বাঁধা।

মুখশ্রী বাঙালিয়ানা। তারপরেও দ্বিধা। টলটলে নীল জল, পাতলা হিরের টুকরার চেয়ে স্বচ্ছ জলের অনেক গভীর পর্যন্ত দৃষ্টি চলে যায়। এমন জলের ধারে দাঁড়িয়ে ভারত মহাসাগরের সে জলেই দৃষ্টি নিবদ্ধ।

হয়তো খুঁজতে খুঁজতে বার বার মনে হবে চেনা, চেনা; ঠিক কোথায় যেন দেখেছি। একসময় ঠিকই মনে পড়ে যেতে পারে, ইনি সোহানা সাবা। বাংলাদেশের চিত্রনায়িকা।

সোহানা সাবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুঁ মারলেই দেখা যাবে মোহময়ী ছবি আর ছবি। কখনও দু-একটা ভিডিও। মালদ্বীপে ভ্রমণরত সোহানা সাবার প্রোফাইলে চোখ ফেললেই নজরবন্দি হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

যাইহোক, কেন তিনি মালদ্বীপ গিয়েছেন, শুটিং? ব্যক্তিগত সফর নাকি অন্যকিছু- সে বিষয়ে কিছুই জানা যায়নি। শুধু ছবির সঙ্গে যুক্ত করে দিয়েছেন ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্রের নাম, মালদ্বীপ।

আরও পড়ুন : চিত্রনায়ক ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান। সম্প্রতি বাংলাদেশের সিনেমা এবং প্রেক্ষাগৃহ ও ব্যক্তিগত নানান বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন গণমাধ্যমে।

আলোচনা করার সময় তিনি বলেন, ‘দিনে দিনে কমে যাচ্ছে সিনেমা হল। দেশের অনেক জেলা ও উপজেলায় কোনো সিনেমা হলই নেই। সেইসঙ্গে সিনেমা নির্মাণও কমে এসেছে। এর ফলে দেশে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদ বেড়েছে।’

তিনি বলেন, ছোটবেলায় এলাকায় এলাকায় বায়স্কোপ দেখতাম। তখন সিনেমার রমরমা অবস্থা ছিল। সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদ তখন ছিলই না। চারদিকে ঘটছে সহিংস ঘটনা। ধর্মকে পুঁজি করে একটি চক্র দেশে কিছুদিন পর পর অস্থিরতা ছড়াচ্ছে।

যেসব সিনেমা হল আছে সেখানে মানুষ সিনেমা দেখতে যায় না পরিবেশের কারণে। মানুষের জীবনযাত্রার মান বেড়েছে। এ জন্য তারা আরাম করে সিনেমা দেখতে চায়, বাজে পরিবেশে যেতে চান না।’

আধুনিক পরিবেশের সিনেমা হল দরকার উল্লেখ করে জায়েদ খান বলেন, অনেকেই আমার কাছে জিজ্ঞেস করে, তোমার সিনেমা সিনেপ্লেক্স, ব্লকবাস্টারে কবে আসবে? পরিবেশ ভালো হওয়ায় তারা সিনেমা হলে যায়।

আবার শুধু সিনেপ্লেক্স দিয়ে হবে না, সিঙ্গেল স্ক্রিনও দরকার। জেলায় যেসব জায়গায় বড় বড় মার্কেট রয়েছে সেখানে ৩০০ থেকে ৪০০ সিটের মাল্টিপ্লেক্স দরকার। সর্বনিম্ন ৩০০ সিনেমা হল হলে আবার রমরমা ব্যবসা হবে।

বন্ধুকে সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও যা পড়ে দেখতে পারেন
kidarkar
Copyright © 2021 All rights reserved www.mediamorol.com