মালয়েশিয়ায় ম’র্গে পড়ে আছে এক বাংলাদেশির লা’শ!

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় বুধবার, ৩ নভেম্বর, ২০২১
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

১৭ দিন ধরে মালয়েশিয়ার একটি হা’সপা’তা’লের ম’র্গে পড়ে আছে এক বাংলাদেশির লা’শ। পরিবার দ’রিদ্র হওয়ার কারণে ম’রদে’হ বাংলাদেশে নেওয়ার খর”চ জোগা’তে পারছে না। মালয়েশিয়াতেই তার লা’শ

দা’ফ’নের অনুমতিও ইতোমধ্যে দিয়েছে পরিবার। জানা গেছে, জ’ন্ডি’স ও লি’ভা’রের রো’গে মো. জহিরুল ইসলাম জবু নামের গাইবান্ধার এই প্রবাসী গত ১৬ অক্টোবর হাস’পাতা”লে চি’কিৎ’সাধী’ন অবস্থায় মা’রা যান।

জহিরুল গাইবান্ধার সদর উপজেলার বিষ্ণুপুরের কবিরপাড়া গ্রামের মৃ’ত হোসেন আলী মুন্সির ছেলে। জহিরুল বিয়ে করেননি এবং তার মা-বাবা মা’রা গেছেন আগেই। দেশে থাকা তার স্বজনরা বলছেন, জহিরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন এবং দেশে কারও সাথে তার যোগাযোগ ছিল না। তার লা’শ দেশে আনতে প্রায় ১ লাখ টাকার প্রয়োজন। কিন্তু এত টাকা সংগ্রহ করার সা’মর্থ্য আমাদের পরিবারের নেই। মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. শাহাদাত হোসেন জানান, দুই সপ্তাহ ধরে জহিরুল ইসলামের ম’র’দেহ ইপুহ এলাকার লাজা হাস’পা’তালের ম’র্গে পড়ে আছে।

তার কোনো সঠিক ঠিকানা বা পরিচয় পাওয়া যাচ্ছিল না। কারণ তার সাথে যে পাসপোর্টের ফটোকপি পাওয়া গেছে সেখানে তার বাড়ি নরসিংদী সদরে বলে উল্লেখ থাকলেও সেই ঠিকানায় এই নামে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে জানা যায় জহিরের বাড়ি গাইবান্ধায়। শাহাদাত হেসেন আরও বলেন, হা’সপা’তা’লে কর্মরত থাকার সুবাদে আমি জানতে পারি ম’র্গে একজন বাংলাদেশির লা’শ পড়ে আছে, যার স্বজনের কোনো খোঁজ নেই। তখন আমি অনেক খোঁ’জাখুজি করে জহিরের আসল ঠিকানা বের করি। তার ঠিকানা পাওয়ার পর তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করি কিন্তু তাদের আ’র্থিক সা’মর্থ্য না থাকায় লা’শ মালয়েশিয়ায় দা”ফন করার বিষয়ে সম্মতি দেয়।

পরিবার লা’শ না নিলে মালয়েশিয়ায় কোনো এ’নজিওর মাধ্যমে লা’শ দা”ফন করা হবে। তবে জহিরুল ২৭ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় আছেন। তার সাথে কোনো ভ্যালি’ড পাসপোর্ট বা ভিসার কোনো সঠিক কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। সে কনস্ট্রা’ক’শন সেক্টরে কাজ করতো। জহিরের ভাতিজি রোমানা আ’ক্তার জানিয়েছেন যদি কোনো হৃদয়বা’ন ব্যক্তি ম’রদে’হ দেশে পাঠানোর খর’চ বহন করেন তাহলে তারা বিমানবন্দর থেকে তার লা’শ গ্রহণ করবেন। এ বিষয়ে কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ দূতাবাসের সং’শ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সরকারিভাবে এই মরদেহ পাঠানোর সুযোগ নেই তবে তার পরিবার যদি ইউএনও বা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে তাহলে সরকার রাজি হলে তখন সরকারি খরচে লা’শ দেশে পাঠানো যেতে পারে।

বন্ধুকে সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও যা পড়ে দেখতে পারেন
kidarkar
Copyright © 2021 All rights reserved www.mediamorol.com