মাত্র পাওয়া :
ক্ষমা চাওয়া না, তবে যেভাবে বিদেশে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে খালেদার মৃ’ত্যুশয্যায় হঠাৎ একি প্রশ্ন করে বসলেন খালেদা, এর জবাব কি কারো কাছে আছে? কোরআনের হাফেজদের জন্য খাবার ফ্রি করে দিল হোটেল মালিক বাবা মা ছিলেন চেয়ারম্যান, এবার মেয়েও হলেন চেয়ারম্যান শান্তির ধর্ম ইসলাম গ্রহণের আনন্দে কেঁদে ফেললেন ফরাসি তরুণী ভারত থেকে ভিক্ষা করতে বাংলাদেশে এসে আটক সীতারাম কখনো নারী কখনো পুরুষ বাংলাদেশি বিউটি ব্লগার সাদের আজব জীবন সৌদিতে নারী গৃহকর্মী পাঠানোর পর কেউ আর খোঁজ নেয় না মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের কারাগারে বন্দী ২০ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি কুয়েতে সাবেক এমপি ও পাপলুসহ ৫ ভিআইপির ৭ বছরের সা’জা

সৌদি আরবে এক হাজার ৪৬১টি অ’বৈধ সিমসহ সাত বাংলাদেশি গ্রে’ফতা

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

সৌদি আরবে এক হাজার ৪৬১টি অ’বৈধ সিমসহ সাত বাংলাদেশিকে গ্রে’ফতার করেছে দেশটির পুলিশ। রিয়াদ পুলিশের মুখপাত্র মেজর খালেদ আল-কারদিস সাত বাংলাদেশি গ্রে’ফতারের বিষয়টি সৌদি গেজেটকে নিশ্চিত করেছেন। সৌদি গেজেটকে তিনি জানান, গ্রে’ফতাররা সৌদি নাগরিকদের নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে এসব অ’বৈধ সিম সংগ্রহ করতেন।

তবে কবে তাদের গ্রে’ফতার করা হয়েছে এ বিষয়ে নিশ্চিত করেননি পুলিশের মুখপাত্র। মেজর খালেদ আল-কারদিস বলেন, সাইবার অপরাধ দমনের অংশ হিসেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী এ সাত বাংলাদেশিকে গ্রে’ফতার করেছে।

যারা রেসিডেন্সি পারমিট (ইকামা) বিধি ল’ঙ্ঘন করছে। গ্রে’ফতার সাত বাংলাদেশির কাছে অ’বৈধ সিম কার্ড ছাড়াও চারটি ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডার ও বেশকিছু রিয়াল উ’দ্ধার করা হয়েছে। এসব সিম কার্ডে ছিল অন্যজনের আঙুলের ছাপ।

পুলিশের এ মুখপাত্র বলেন, গ্রে’ফতার সাতজনের বয়স ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। তাদের বিরুদ্ধে’ আইনি প’দক্ষেপ নিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় ব্যাংকের এটিএম কার্ড জা’লিয়াতির ঘটনায় দুই বাংলাদেশিকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার পুলিশের অভিযানে গ্রে’ফতার ওই দুই ব্যক্তি হলেন- মোহাম্মদ হান্নান এবং রফিকুল ইসলাম। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বরাত দিয়ে দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এতথ্য জানানো হয়।

দুই বাংলাদেশিকে গ্রে’ফতারের সময় এটিএম থেকে টাকা তুলে নেওয়া তুরস্কের একটি চক্রের সন্ধান পায় পুলিশ। বাংলাদেশিদের সঙ্গে তুরস্কের দুই এটিএম কার্ড জা’লিয়াতকেও গ্রে’ফতার করা হয়।

আনন্দবাজার পত্রিকা বলছে, গত বছর এপ্রিল-মে মাসে কলকাতার বিভিন্ন অংশের যে অভিজ্ঞতা হয়েছিল, গত কয়েক দিন ঠিক সেই রকমই হাল হয় আগরতলার বাসিন্দাদের। নিজের হাতে বা বাড়িতে তাদের ডেবিট কার্ড, অথচ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা বেরিয়ে যাচ্ছে।

এই গ্রাহকদের একটা বড় অংশই স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার। তারা ছোটেন ব্যাংকে। ডজন ডজন অ’ভিযোগ জমা পড়তে থাকে। অনেকেই ব্যাংকে অ’ভিযোগ জানানোর পর পুলিশেও অ’ভিযোগ জানান।

তদন্ত শুরু করেই ত্রিপুরা পুলিশের তদন্তকারীরা বুঝতে পারেন এটা কোনও কার্ড ক্লোনিং চক্রের কাজ। অর্থাৎ এটিএমে কার্ডের তথ্য ন’কল করার যন্ত্র লাগিয়ে গ্রাহকদের কার্ড সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য নকল করে দ্বিতীয় কার্ড তৈরি করা।

বন্ধুকে সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও যা পড়ে দেখতে পারেন
kidarkar
Copyright © 2021 All rights reserved www.mediamorol.com