মাত্র পাওয়া :
ক্ষমা চাওয়া না, তবে যেভাবে বিদেশে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে খালেদার মৃ’ত্যুশয্যায় হঠাৎ একি প্রশ্ন করে বসলেন খালেদা, এর জবাব কি কারো কাছে আছে? কোরআনের হাফেজদের জন্য খাবার ফ্রি করে দিল হোটেল মালিক বাবা মা ছিলেন চেয়ারম্যান, এবার মেয়েও হলেন চেয়ারম্যান শান্তির ধর্ম ইসলাম গ্রহণের আনন্দে কেঁদে ফেললেন ফরাসি তরুণী ভারত থেকে ভিক্ষা করতে বাংলাদেশে এসে আটক সীতারাম কখনো নারী কখনো পুরুষ বাংলাদেশি বিউটি ব্লগার সাদের আজব জীবন সৌদিতে নারী গৃহকর্মী পাঠানোর পর কেউ আর খোঁজ নেয় না মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের কারাগারে বন্দী ২০ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি কুয়েতে সাবেক এমপি ও পাপলুসহ ৫ ভিআইপির ৭ বছরের সা’জা

দেব-এর নামে চায়ের দোকান , মুহূর্তে ভা’ইরাল হলেন ভক্ত

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় সোমবার, ১ নভেম্বর, ২০২১
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

অনুরাগীরা আছেন বলেই তারকাদের অস্তিত্ব রয়েছে। দর্শক একজন শিল্পীকে তারকা বানিয়ে তোলেন। বহু আগে থেকেই চলে আসছে এই প্রথা। যাদবপুর 8বি বাসস্ট্যান্ডে রয়েছে ‘চা ও নচিকেতা’ নামে একটি দোকান যা নচিকেতার চায়ের দোকান হিসাবেও বিখ্যাত।

জানা যায়, একসময় জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী নচিকেতা (Nachiketa) এই দোকানে চা খেতেন। এমনকি মেদিনীপুরের একটি গ্রামে রয়েছে চপের দোকান যেখানে কোনো একসময় মহানায়ক উত্তম কুমার (Uttam Kumar) চপ খেয়ে প্রশংসা করেছিলেন।

আজও সেই দোকানে একটি ফ্রেমে বাঁধানো রয়েছে উত্তম কুমারের দেওয়া অটোগ্রাফওয়ালা একটি ছবি। এবার দেব (Dev)-এর নামে খুলল চায়ের দোকান।

অভিষিক্তার অনতিদূরেই দেবের ভক্ত অর্ণব গুহ (Arnab Guha) দেবের নামে চায়ের দোকান খুললেন যার নাম ‘দেব অ্যান্ড টি’। পেশায় ফটোগ্রাফার অর্ণবের এই ছোট্ট চায়ের দোকানটি সাজানো হয়েছে দেবের বড় কাটআউট দিয়ে।

নেটদুনিয়ায় ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে ‘দেব অ্যান্ড টি’-র ছবি। অনেকের ‘আড্ডা জোন’ হয়ে উঠেছে এই দোকানটি। টিনএজার-দের কাছে তো এটি একটি অসাধারণ আড্ডার ঠেক। এছাড়াও ‘দেব অ্যান্ড টি’-র মেনুও হয়ে উঠেছে নজরকাড়া।

সাধারণত চায়ের দোকানগুলি সীমাবদ্ধ থাকে লেবু চা, দুধ চা, লাল চায়ের মধ্যেই। অনেকে আবার শীতকালে চায়ের মধ্যেই মিশিয়ে দেন একটু কফি। কিন্তু এই ক্ষেত্রেই নজর কেড়েছে ‘দেব অ্যান্ড টি’।

তালিকায় রয়েছে কুড়ি টাকা দামের তন্দুরী চা ও মালাই চা, পঁচিশ টাকা দামের কেশরী চা, পনের টাকা দামের ইলাইচি চা প্রভৃতি। এছাড়াও বাঙালির চিরন্তন লাল চা তো রয়েছেই।

কিন্তু দেব ও নচিকেতা দুজনের নামেই চায়ের দোকান কেন, এই প্রশ্ন উঠতেই পারে। প্রকৃতপক্ষে, বাঙালি আজ যতই বারিস্তা, কাফে কফি ডে, স্টারবাকস-এ ভিড় জমান না কেন, তাঁরা আদতে কিন্তু চা-প্রেমী।

আজও বিকাল পাঁচটা বাজতে না বাজতেই পাড়ার চায়ের দোকানগুলিতে ভিড় হতে শুরু করে। লাল চা সহযোগে জমে ওঠে আড্ডা। সত্যজিৎ রায় (Satyajit Ray)-এর এক আত্মীয় তো রীতিমত চা-বিশারদ ছিলেন।

তাঁর একটি বাঁধানো খাতা ছিল যাতে তিনি বিভিন্ন জায়গায় চা পান করার পর সেই চায়ের স্বাদ, গন্ধ, বর্ণ সম্পর্কে লিখে রাখতেন। সত্যজিৎ রায়ের অটোবায়োগ্রাফি ‘যখন ছোট ছিলাম’-এ এই ঘটনার উল্লেখ পাওয়া যায়।

বন্ধুকে সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও যা পড়ে দেখতে পারেন
kidarkar
Copyright © 2021 All rights reserved www.mediamorol.com