আমার স্বামী একটা মান’সিক রোগী: তমা মির্জা

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

ঢাকাই সিনেমার পরিচিত মুখ তমা মির্জা। ২০১০ সালে ফিল্মপাড়ায় পা রাখেন তিনি। ‘বলো না তুমি আমার’ সিনেমার মাধ্যমে অভিষেক হয় তার। তারপর বেছে বেছে অভিনয় করেছে বেশ কয়েকটি সিনেমায়।

২০১৫ সালে ‘নদীজন’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রের অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন তমা।

২০১৯ সালের ৭ মে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক হিশাম চিশতীকে বিয়ে করেন তমা মির্জা। পারিবারিকভাবে হিশামের সঙ্গে তমার পরিচয়। শুরুতে তমার দাম্পত্য জীবন ভালোই চলছিল। দুবাইয়ে হানিমুনও করেছিলেন তারা। এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় একসঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার ছবি শেয়ার করেছেন এ অভিনেত্রী। কিন্তু হঠাৎ করেই তাদের মনো;মালিন্যের খবর পাওয়া গেছে।

এখন আর একসঙ্গে থাকছেন না তমা ও হিশাম। বিভিন্ন কারণে বাবার বাড়িতেই থাকছেন তমা মির্জা। এরই মধ্যে নায়িকা তমা মির্জা এবং তার স্বামী হিশাম চিশতি পরস্পরের বি;রু;দ্ধে মা;মলা করেছেন। ৫ ডিসেম্বর রাত ৩টায় রাজধানীর বাড্ডা

থানায় মা;মলা করেন তমা। নারী ও শিশু নি;র্যাত;ন; দমন আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং যৌ;তুক জন্য মার;পি;টসহ হুম;কি প্রদানের অপরা;ধে মামলাটি ক;রেছেন তিনি। আর ৬ ডিসেম্বর হ ‘;ত্যা চেষ্টার অভি;যোগে মা;মলা করেন হিশাম।

হিশামের করা মামলায় তমা মির্জাসহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে। অন্যদিকে, তমা মির্জা শুধু হিশাম চিশতীকেই আসামি করেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মামলা করেই কানাডা চলে গেছেন তমার স্বামী হিশাম।

এদিকে হিশামের সঙ্গে সর্ম্পকের বেশ অবনতি হয়েছে তমার। জানতে চাইলে তিনি বলেন, হিশাম একজন সাই;কো, মান;সিক রোগী। কোনো কিছু সে স্বাভাবিকভাবে নিতে পারে না। বিয়ের পর থেকে আমাকে বিভিন্নভাবে মা;নসিক অ;ত্যাচার করেছে। শা;রীরিক নি;র্যাত;নও করত টাকার জন্য। আমার উপার্জনের টাকা কেন আমি আমার বাবা-মাকে

দেই তা নিয়ে ওর ব্যাপক সমস্যা। আমাকে মে;রে ফে;লার হু;ম;কিও দিয়েছে সে। হাত খরচের টাকা দিতে না পারলেই আমাকে মা;র;ধর করত।

হিশাম চিশতীর করা মাম;লার এজাহারে মি;থ্যা তথ্য দিয়েছে উল্লেখ করে তমা মির্জা বলেন, ও জাস্ট মা;মলা করেই চলে গেছে। আমার মনে হয় ওর মামলা;র কোনো ভিত্তি নাই। আমরা যদি ওকে মা;র;ধর করতাম তাহলে ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশ ডাকতাম? সেদিন রাতে (৫ ডিসেম্বর) আমি ৯৯৯ ফোন করে পুলিশ ডেকেছি। এ কারণেও আমাকে মা;র খেতে

হয়েছে। পুলিশ আসার পর ও রুম থেকে বের হচ্ছিল না। এক পর্যায়ে পুলিশ যখন লিফট দিয়ে নামছিল তখন হিশাম আমাদের সঙ্গে সিঁড়ি দিয়ে নামছিল। সিঁড়ির সামনে দাঁড়িয়ে সে আমাকে মে;রে;ছে। আব্বু-আম্মুকেও মে;রেছে। তখন আমরা প্রতিহত করতে গেলে সে আ;ঘাত পেয়েছে।

এখন তাহলে কোন পথে হাঁটবেন? জানতে চাইলে এ অভিনেত্রী বলেন, পাগলের সঙ্গে সং;সার করা সম্ভব না। আমি মা;ম;লা করার পর বিষয়টি পারিবারিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করেছি। কিন্তু সেটি আর সম্ভব না। আমি আইনগতভাবে এগিয়ে যাব।

এদিকে তমার করা মা;মলা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মা;ম;লার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মাহমুদুল হাসান ১৯

ডিসেম্বর বিকেলে বলেন, কাউন্টার মামলা হয়েছে। তমা মির্জা আগে করেছেন। তারপর করেছেন হিশাম চিশতী। তমার

মামলায় যেহেতু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন রয়েছে তাই আমরা হিশামের মোবাইল ফোন ফরেনসিকে পাঠিয়েছি। দুটি মামলাই তদন্তে আছে। সয়তুঃ সময়নিউজ

বন্ধুকে সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও যা পড়ে দেখতে পারেন
kidarkar
Copyright © 2021 All rights reserved www.mediamorol.com