এই ম’সজিদে ৭০ জন নবী নামাজ আদায় করেছেন

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ম’সজিদ মু’সলমানদের ধ’র্মীয় কার্যাবলীর প্রা’ণকেন্দ্র। ম’সজিদের উৎকর্ষের ক্ষেত্রে, সেই সপ্তম শতাব্দির সা’দাসিধে খোলা প্রাঙ্গনবিশিষ্ট ম’সজিদে কাবা বা ম’সজিদে নববী থেকে বর্তমানে এর প্রভূত উন্নয়ন ঘটেছে।

এখন অনেক ম’সজিদেরই সুবিশাল গম্বুজ, উঁচু মিনার এবং বৃহদাকার প্রাঙ্গন দেখা যায়।হ’জের আনুষ্ঠানিকতার অন্যতম অংশ হলো- শয়’তানের প্রতীকী’ স্তম্ভে ক’ঙ্কর নি’ক্ষেপ করা। এই কঙ্কর নিক্ষে’পের স্থা’নের খুব কাছে ঐতিহাসিক ‘ম’সজিদে খায়েফ’ অবস্থিত।

এই ম’সজিদে ৭০ জন নবী নামাজ আদায় করেছেন।ম’সজিদের সামনে স্থাপিত সাইনবোডে বেশ ৭টি ভাষায় লে’খা রয়েছে ম’সজিদের নাম।সেখানে বাংলাতেও লেখা আছে- আল খায়েফ ম’সজিদ।সওর পাহাড়ের বিপরীত দিকের পাহাড়ের অদূরে প্রতিষ্ঠিত এই ম’সজিদের আলোচনা বেশ গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পেয়েছে। বিশাল ম’সজিদটি ক’ঙ্কর নি’ক্ষেপ করতে আসা হাজিদের মনে করিয়ে দেয় ইতিহাসের অনেক ঘটনাকে।

বৃহদাকার ম’সজিদের উচুঁ মিনারগুলো বেশ দূর থেকে পা’হাড়ের চূড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দাঁড়িয়ে আ’ছে। বর্ণিত আছে, হ’জরত রাসূলুল্লাহ (সা.) এই ম’সজিদে নামাজ আদায় করছেন এবং বলেছেন, এখানে সত্তরজন নবী সমাহিত হয়েছেন।

নবী করিম (সা.) বিদায় হ’জে ম’সজিদে খায়েফে না’মাজ পড়েছেন।এই ম’সজিদের অনেক ফজিলত হা’দিস ও ইতিহাসের গ্রন্থসমূহে উল্লেখ আছে।পাহাড়ের চেয়ে নিচু এবং সমূদ্রপৃষ্ঠ থেকে উঁচু স্থানকে আরবি প’রিভাষায় খায়েফ বলা হয়। আবার দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী উপত্যকাসম ভূমিকেও খায়েফ বলে আরবরা।

অ’পরদিকে, খায়েফ ম’সজিদ হচ্ছে ম’ক্কার কা’ফেরদের বি’রুদ্ধে মু’সলমানদের বিজয়ের এক স্মৃ’তিচিহ্ন।ইতিহাসে এসেছে, পঞ্চ’ম হিজ’রিতে ইহুদিদের প্র’রোচনায় ম’ক্কার কাফেররা ম’দিনায় হা’মলা করার সিদ্ধান্ত নেয়। এ লক্ষ্যে তারা কিছু আরব গোত্রের সঙ্গে সন্ধি চুক্তি করে।

এই সন্ধি চুক্তি করার জন্য ম’ক্কার কাফেররা যে স্থা’নটি বেছে নেয় পরে সেখানেই খায়েফ ম’সজিদ নি’র্মিত হয়।মূলত মু’সলমানদের বি’রুদ্ধে কাফের গোত্রগুলোর ঐক্যের ব্যর্থতার নিদর্শন হিসেবে ম’সজিদটি দাঁড়িয়ে প্রতিনিয়ত ঘোষণা করছে, ইস’লামের বিজয়গাঁথা ইতিহাসকে।

হ’জরত রাসূলুল্লাহ (সা.) খায়েফ ম’সজিদের যে জা’য়গায় দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেছিলেন ও’সমানিয় শাসনামলে সেখানে একটি বড় গম্বুজ ও মেহরাব তৈরি করা হয়। এখন অবশ্য সেটি আর নেই। ঐতিহাসিক বর্ণনায় এসেছে, ২৪০ হিজ’রিতে এক প্রলয়ঙ্করী ব’ন্যায় খায়েফ ম’সজিদ ধসে পড়ে।তবে ব’ন্যা শেষ হওয়ার পরপরই ম’সজিদটি আবার নির্মাণ করা হয় এবং এর চারপাশে ব’ন্যা প্রতিরোধ ব্যবস্থাও গড়ে তোলা হয়।সে সময় এই ম’সজিদের দৈর্ঘ্য ছিল ১২০ মিটার এবং প্রস্ত ছিল ৫৫ মিটার।

সে হি’সাবে এ’টি ছিল ওই সময় আরব অঞ্চলের সবচেয়ে বড় ম’সজিদ। এমনকি তখন ম’সজিদে হারামের চেয়েও বড় ছিল এই ম’সজিদের আয়তন।খায়েফ ম’সজিদে এখন ৩০ হাজার মু’সল্লি একত্রে নামাজ আদায় করতে পারেন। ম’সজিদের চা’রকোণায় অবস্থিত চারটি সুউচ্চ মিনার ম’সজিদটিকে দান করেছে অ’পার সৌন্দর্য।আল্লাহ তাআলা মু’সলিম উম্মাহকে আল খায়েফ ম’সজিদে নামাজ পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন

বন্ধুকে সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও যা পড়ে দেখতে পারেন
kidarkar
Copyright © 2021 All rights reserved www.mediamorol.com