kidarkar

ঘরে দুই স্বামী রেখে গোপনে তৃতীয় বিয়ে তানজিলার, অতঃপর

বাংলাদেশ

জাহিদ হাসান | ০৭ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ০৪:০২ অপরাহ্ন

২০১৫ সালের মাঝামাঝির ঘটনা। হঠাৎই জিয়াউল হক বাবলুর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে তানজিলা হায়দারের। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্কও গভীর হয়। সেই সম্পর্কের শুভ পরিণতির জন্য খুব বেশি সময় অপেক্ষা করেনি তারা। মাত্র একমাসের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্কের পর ২০১৫ সালের ১৭ আগস্ট ১০ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন বাবলু ও তানজিলা।

বিয়ের পর নববধূকে ঘরে তুললে তার চলনবলন ও আচার-আচরণে কিছুটা সন্দেহ তৈরি হয় বাবুলের মা ছালেহা বেগমের মনে। এর পর থেকেই পুত্রবধূর ওপর গোপনে নজর রাখতেন তিনি। এর কিছুদিন পরই জানা গেল, বাবলুকে বিয়ে করার আগেও আরও দুবার বিয়ে হয়েছিল তানজিলার। কিন্তু বাবলুর সঙ্গে সে বিষয়টি গোপন রাখে। এমনকি পূর্বের দুই স্বামীকে তালাক না দিয়েই বাবলুকে বিয়ে করে।

এ ঘটনায় বাবলুর মা ছালেহা বেগমের করা প্রতারণা মামলায় পুত্রবধূ তানজিলা হায়দারকে ২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল বুধবার (৬ নভেম্বর) ফেনীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিচারি আদালত-৩ এর বিচারক এ.এস.এম এমরান এ রায় দেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, বাবলু ফেনী শহরের রামপুর এলাকার হাফেজ উকিল বাড়ির মজিবুল হকের ছেলে। আর সদর উপজেলার উত্তর শর্শদি গ্রামের ডিপটি বাড়ির রকিবুল হায়দারের মেয়ে তানজিলা হায়দার। পুত্রবধূর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে ২ বছর আগে করা মামলায় তানজিলাকে দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। সূত্র : ব্রেকিং নিউজ

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • *
  • এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আরও খবর

    kidarkar