kidarkar

‘ক্যাসিনো প্রেমি’ সুজনের বিরুদ্ধে কি শাস্তির ব্যবস্থা নিয়েছে বিসিবি

খেলাধুলা

জাহিদ হাসান | ০২ নভেম্বর ২০১৯, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ০৪:৫৭ অপরাহ্ন

ক্যাসিনোর সাথে যেন নানাভাবে ঘুরে ফিরে আসছে বিসিবি’র নাম! কিছুদিন আগেই অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন বিসিবির প্রভাবশালী পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়া। এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেয়নি বিসিবি। বোর্ড প্রেসিডেন্টের দাবি, লোকমান যে ক্যাসিনোতে যান এটা তিনি জানতেন না। এখন ভাইরাল হয়েছে স্বয়ং বোর্ড প্রেসিডেন্টকে নিয়ে একটি ভিডিও।

যেখানে ক্যাসিনোতে খেলতে দেখা যাচ্ছে তাকে। এটির সত্যতা পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে এই ভিডিও ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। যৌক্তিকভাবেই এই প্রশ্নটিও উঠছে ‘ক্যাসিনোর’ বিষয়ে ওঠা অভিযোগ নিয়ে এত নীরব কেনো বিসিবি?

গত ২৯ জুলাই ক্যাসিনোতে যাওয়া নিয়ে গণমাধ্যমের খবর হয়েছিলেন বিসিবির পরিচালক ও বাংলাদেশ জাতীয় দলের তৎকালীন কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন। শ্রীলঙ্কা সফরে দলের কোচের দায়িত্ব পালনকালে নিরাপত্তা প্রোটোকল ভেঙে তার ক্যাসিনোতে যাওয়া গোটা টিম ম্যানেজমেন্টকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল।

সেটি আরও জোরালো হয়েছিল কারণ জঙ্গি হামলার প্রেক্ষিতে শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশ দলকে কঠোর নিরাপত্তা দেয়া হয়। ক্যাসিনোতে যাওয়ার জন্য সেই নিরাপত্তা ভেঙেছিলেন সুজন। তখন এটি নিয়ে তুমুল সমালোচনা হলেও এখন পর্যন্ত সুজনের বিষয়ে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেয়নি বিসিবি। কোনো ব্যাখ্যাও দেয়া হয়নি বোর্ডের তরফ থেকে।

ক্যাসিনোতে যাওয়ার কথা স্বীকার করে খালেদ মাহমুদ সুজন বলেছিলেন, সিরিজ হেরে যাওয়ায় আপসেট ছিলাম। আমার একজন বন্ধুর সাথে দেখা করতেই সেখানে যাওয়া। ওরা কয়েকজন ছিল সেখানে। ক্যাসিনোতে শুধু কার্ড খেলা হয় না, খাবারও পাওয়া যায়।

এর আগে, ২০১৫ বিশ্বকাপ চলাকালে অস্ট্রেলিয়ায় ক্যাসিনো বিতর্কে জড়িয়েছেন তখনকার ম্যানেজার ও জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক। বিশ্বকাপ চলাকালে ডলার হাতে অস্ট্রেলিয়ার একটি ক্যাসিনোতে দেখা যায় তাকে। সেবার অবশ্য ক্যাসিনোতে যাওয়ার কথাও স্বীকার করছিলেন তিনি। তবে জুয়া খেলার কথা অস্বীকার করেন সুজন।

সেই ২০১৫ বিশ্বকাপে টিম ম্যানেজমেন্টের অনুমতি না নিয়ে বেশ কিছু সময় হোটেলের বাহিরে থাকায় পেসার আল আমিনকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে দেশে পাঠানো হয়। তারপর লম্বা সময় অঘোষিত নিষেধাজ্ঞায় পড়েন আল আমিন। তবে, এখন পর্যন্ত সুজনের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি বিসিবিকে।

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ শেষে দেশে ফেরার পর কোনো ধরনের মূল্যায়ণ প্রতিবেদন ছাড়াই সব কোচিং স্টাফকে বিদায় করে দেয় বিসিবি। এখন পর্যন্ত সেই ধারাবাহিকতায় চলছে তারা। কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক মূল্যায়ণে আগ্রহ নেই বোর্ডের। বরং মুখের কথায় সব জয় করার চেষ্টাই যেন লক্ষণীয়।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • *
  • এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আরও খবর

    kidarkar