kidarkar

ইলিশ ধ’রতে গিয়ে পু’লিশের ধাওয়ায় লা’শ যুবলী’গ নেতা

বাংলাদেশ

হাসান রাফি | ৩০ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ০৪:৫৭ অপরাহ্ন

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ইলিশ শিকারে গিয়ে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে নদীতে ডুবে মজিবর রহমান মৃধা (৪৫) নামে এক যুবলীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নিয়ামতি বাজারসংলগ্ন বিষখালী নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।মজিবর রহমান বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের মধ্য নিয়ামতি গ্রামের মৃত দলিল উদ্দিন মৃধার ছেলে ও জেলা যুবলীগের সদস্য ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার দুপুরে কয়েকজন জেলের সঙ্গে ট্রলার নিয়ে বিষখালী নদীতে ইলিশ শিকারে যান মজিবর রহমান। এ সময় রাজাপুর থানার মৎস্য অফিসারের সমন্বয় পুলিশের একটি দল নদীতে এসে তাদের ট্রলারকে ধাওয়া দেয়। এ অবস্থায় নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিখোঁজ হন মজিবর রহমান।

নিয়ামতি ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, সোমবার দুপুরে কয়েকজন জেলের সঙ্গে মজিবর রহমান ট্রলারে করে বিষখালী নদীতে যান। পুলিশের একটি টহল দল তাদের ধাওয়া করলে মজিবর নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিখোঁজ হন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিষখালী নদীতে মজিবরের মরদেহ পাওয়া যায়। মজিবর জেলা যুবলীগের সদস্য ছিলেন।

বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম বলেন, মজিবরের বাড়ি বাকেরগঞ্জ উপজেলায় হলেও ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বিষখালী নদীতে তার মরদেহ পাওয়া যায়। সোমবার বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ নদীতে কোনো অভিযান চালায়নি। আর ওই এলাকা রাজাপুর থানার আওতাধীন। সেখানে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালানোর প্রশ্নই আসে না।

রাজাপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন বলেন, পালটসংলগ্ন বিষখালী নদী থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সোমবার বিষখালী নদীর ওই এলাকায় রাজাপুর থানা পুলিশ অভিযানে যায়নি। কিভাবে এ ধরনের ঘটনা ঘটলো তা তদন্ত করে দেখা হবে।

বিষখালী নদীতে টহল দেয়ার সময় কাউকে ধাওয়া কিংবা নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ার কথা স্বীকার করেননি নলছিটি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাখাওয়াত হোসেন।*

আরও পড়ুন, কাশ্মীরে সেনাবাহিনীর ওপর হামলাঃ ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় একটি স্কুলে টহলরত দেশটির আধাসামরিক বাহিনীর (সিআরপিএফ) জওয়ানদের লক্ষ্য করে গুলি করেছে অস্ত্রধারীরা। তবে মঙ্গলবারের এই হামলায় এখনো কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল এনডিটিভির এক অনলাইন প্রতিবেদন জানানো হয়েছে, পুলওয়ামার দ্রাবগামের একটি স্কুলে সিআরপিএফ জওয়ানের বাঙ্কার লক্ষ্য করে প্রায় ৬ থেকে ৭ রাউন্ড গুলি চালায় হামলাকারীর। স্কুলটি পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল।

সূত্রের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, পরীক্ষাকেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল আধা সামরিক বাহিনী সিআরপিএফ এবং কাশ্মীর পুলিশ। হামলার পাল্টা জবাব দিয়েছে সেনাবাহিনী। অতিরিক্তি সেনাবহর পাঠানো হয়েছে সেখানে। তল্লাশি অভিযানও শুরু হয়েছে।

এমন দিনে এ হামলার ঘটনা ঘটলো যখন ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) পার্লামেন্টের ২৩ জন এমপির একটি দল ভারত সরকারের আমন্ত্রণে কাশ্মীর পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে সেখানে গেছেন। গতকাল সোমবার নরেন্দ্র মোদি ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে দেখা করেন তারা। কাশ্মীরের সাংবিধানিক মর্যাদা বাতিল, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন ও কারফিউ জারি করে উপত্যকাকে অবরুদ্ধ করে রাখাকালীন প্রথম কোনও আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা কাশ্মীর সফরে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছেন। ভারত সরকার আমন্ত্রণ জানিয়ে তাদের নিয়ে আসায় বিতর্কও তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • *
  • এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আরও খবর

    kidarkar