kidarkar

এবার দিনাজপুরের ডিসির আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস

বাংলাদেশ

হাসান রাফি | ৩০ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ০২:০৬ অপরাহ্ন

জামালপুরের পর এবার দিনাজপুরের জে’লা প্রশাসক (ডিসি) মাহমুদুল আলমের বি’রুদ্ধে যৌ’ন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন প্রলোভনে অ’বৈধ সম্পর্কের পর তাকে প্রা’ণনা’শের হু’মকি দিচ্ছেন অভিযোগ করেছেন এক নারী। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জে’লা প্রশাসক মাহমুদুল আলম।

মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এক নারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওতে উল্লেখ করেছেন, বিভিন্ন প্রলোভনে অ’বৈধ সম্পর্কের পর তাকে প্রা’ণনা’শের হু’মকি দিচ্ছেন ডিসি মাহমুদুল আলম। সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় ডিসির সঙ্গে নিজের অনৈতিক সম্পর্কের তথ্য ফাঁ’স করেছেন এক নারী। তার সেই ভিডিওটি ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিও বার্তায় ওই নারী দাবি করেছেন, ডিসি মাহমুদুল আলম বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে অ’বৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সেই ফাঁদে পা দিয়ে সংসার ভেঙেছে তার। সম্প্রতি জামালপুরের ডিসির সঙ্গে এক নারীর ভিডিও ফাঁ’স হয়ে যাওয়ার পর থেকেই মাহমুদুল তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। তার সঙ্গে নানা সময়ে কথা বলা ভিডিও কল রেকর্ড, মোবাইল কল রেকর্ডসহ যাবতীয় তথ্য ডিলিট করে দিতে বলেন। এ ছাড়া বি’ষয়গুলো কাউকে জানালে চাকরি থেকে বহিস্কার ও রাজাকারের সন্তান বানিয়ে দেওয়ার হু’মকি দেন বলেও অভিযোগ করেন ওই নারী।

এদিকে এমন ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা।

তারা বলছেন, জে’লা প্রশাসকের ব্যবহার ভালো না এবং চরিত্রও খারাপ। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে মুক্তিযোদ্ধারা লজ্জিত জানিয়ে জে’লা প্রশাসকের অপসারণ এবং তার শা’স্তি দাবি করেছেন তারা।

জানা গেছে, দিনাজপুরে একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন ওই নারী। তার সঙ্গে যোগযোগ করা হলে এ বি’ষয়ে কথা বলতে রাজি হননি তিনি। কথা বলতে চাননি তার পরিবারের সদস্যরাও।

এদিকে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন জে’লা প্রশাসক মাহমুদুল আলম। তিনি বলেন, আমার ঊর্ধ্বতনরা ত’দন্ত করতে গেছেন, তারাই এ বি’ষয়ে ব্যবস্থা নেবেন।

অন্যদিকে ঘটনাটি ত’দন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা। একই সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাকে অবমাননার ঘটনায় দিনাজপুরের ডিসির বি’রুদ্ধে চলছে নানা কর্মসূচি।

দিনাজপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওয়াহেদুল আলম আর্টিস্ট বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমরা একটি ভিডিও দেখেছি, যার সঙ্গে জে’লা প্রশাসকের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এভাবে একের পর এক মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি অবমাননা করে তিনি সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন। মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের প্রতি নি’র্যাতন, অবহেলা ও অপমানিত হওয়া এই ধরনের সরকারি কর্মকর্তা স্বাধীনতার পক্ষের হতে পারে না।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • *
  • এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আরও খবর

    kidarkar