kidarkar

জামিন পেয়েই বাবা জানলেন সন্তান আর নেই

বাংলাদেশ

হাসান রাফি | ২৮ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ০১:৩২ অপরাহ্ন

একটি মা’রামা’রির মা’মলায় বাবা এক মাস ধরে কারাগারে। বাবাকে মুক্ত করার জন্য মিঠামইন থেকে মায়ের সঙ্গে কিশোরগঞ্জ সদরে এসে বাসা ভাড়া নেয় কিশোর মুন্না (১৩)। মাকে নিয়ে কারাগার-কোর্ট ঘুরে অবশেষে জামিনের ব্যবস্থা করা হয়। রোববার (২৭ অক্টোবর) সকালে বাবাকে জামিন শুনানির জন্য কারাগার থেকে আ’দালতে নেয়া হয়। কোর্ট হাজতে থাকা বাবার জন্য খাবার নিয়ে সাইকেলে যাচ্ছিল সে। তবে বাবার কাছে পৌঁছার আগেই লা’শ হতে হলো তাকে। কোর্ট থেকে জামিন পেয়েই বাবা জানলেন তার প্রিয় সন্তান আর নেই।

রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের বড়পুল এলাকায় সাইকেল আরোহী মুন্নাকে পেছন থেকে চাপা দেয় যাত্রীবাহী একটি বাস। মুহূর্তেই নিভে যায় পরিবারের স্বপ্ন। কিশোরগঞ্জ জে’লা হাস*পাতালের বারান্দায় ছেলের ম’রদেহ ঘিরে বুক চাপড়ে রোদন করছিলেন মুন্নার মা নূর জাহান। তার আহাজারিতে হাস*পাতালের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

নি’হত মুন্না মিঠামইন উপজে’লার ঢাকি বড়কা’ন্না গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে। কিশোরগঞ্জ সদর উপজে’লার লতিবপুরে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকত।

কটিয়াদী হাইওয়ে পু’লিশের ইনচার্জ জহিরুল ইস’লাম জানান, ছেলেটির বাবা একটি মা’মলায় কিশোরগঞ্জ কারাগারে। আ’দালতে হাজির করা হলে তার জামিন হয়। খরব পেয়ে মুন্না তার বাবার জন্য খাবার নিয়ে লতিবপুর থেকে সাইকেলে কিশোরগঞ্জ আ’দালতে যাচ্ছিল। শহরের বড়পুল এলাকায় অনন্যা পরিবহনের একটি বাস তাকে চাপা দিলে সে গুরুতর আ’হত হয়। আশ’ঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাস*পাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃ’ত ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, পু’লিশ বাসটি আ’ট’ক করেছে। তবে চালক পালিয়ে গেছে। নি’হতের ম’রদেহ ময়নাত’দন্তের জন্য ২৫০ শয্যা জেনারেল হাস*পাতাল ম’র্গে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • *
  • এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আরও খবর

    kidarkar