kidarkar

জে’লখানায় বাবার জন্য খাবার নিয়ে যাওয়ার পথে লা’শ হলো ছেলে

বাংলাদেশ

হাসান রাফি | ২৭ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার | সর্বশেষ আপডেট: ০৬:১৪ অপরাহ্ন

একটি মা’রামারি মা’মলায় বাবা এক মাস ধরে কা’রাগারে। বাবাকে মুক্ত করার জন্য মিঠামইন থেকে মায়ের সঙ্গে কিশোরগঞ্জ সদরে এসে বাসা ভাড়া নেয় কিশোর মুন্না (১৩)। মাকে নিয়ে কা’রাগার-কোর্ট ঘুরে অবশেষে জা’মিনের ব্যবস্থা করা হয়। রোববার সকালে বাবাকে জা’মিন শুনানির জন্য কা’রাগার থেকে আ’দালতে নেয়া হয়। এতে আনন্দে আত্মহারা কিশোর মুন্না। কোর্ট হাজতে থাকা বাবার জন্য খাবার নিয়ে সাইকেলে চালিয়ে যাচ্ছিল সে। তবে বাবার কাছে পৌঁছার আগেই লা’শ হতে হলো তাকে। কোর্ট থেকে জা’মিন পেয়েই বাবা জানলেন তার প্রিয় সন্তান আর নেই।

রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের বড়পুল এলাকায় সাইকেল আরোহী মুন্নাকে পেছন থেকে চাপা দেয় যাত্রীবাহী একটি বাস। মুহূর্তেই নিভে যায় পরিবারের স্বপ্ন। কিশোরগঞ্জ জে’লা হাসপাতালের বারান্দায় ছেলের মৃ’তদেহকে ঘিরে বুক চাপড়ে রোদন করছিলেন মুন্নার মা নূর জাহান। এ সময় হাসপাতালের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে।

নি’হত মুন্না মিঠামইন উপজে’লার ঢাকি বড়কান্না গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে। কিশোরগঞ্জ সদর উপজে’লার লতিবপুরে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকত।

কটিয়াদী হাইওয়ে পুলিশের ই’নচার্জ (আইসি) জহিরুল ইসলাম জানায়, ছেলেটির বাবা একটি মা’মলায় কিশোরগঞ্জ কা’রাগারে আছেন। আজ তাকে আ’দালতে হাজির করা হলে তার জা’মিন হয়। খরব পেয়ে মুন্না তার বাবার জন্য খাবার নিয়ে লতিবপুর থেকে সাইকেল চালিয়ে কিশোরগঞ্জ আ’দালতে যাচ্ছিল। শহরের বড়পুল এলাকায় অনন্যা পরিবহনের একটি বাস তাকে চাপা দিলে সে গুরুতর আহত হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃ’ত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, পুলিশ বাসটি আ’টক করেছে। তবে চালক পালিয়ে গেছে। নি’হতের ম’রদেহ ম’য়নাত’দন্তের জন্য ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ম’র্গে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • *
  • এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আরও খবর

    kidarkar