kidarkar

গু’লির ভ’য় দেখিয়ে লাভ নেই, পানিতে ভেসে আসিনি আমরা: চরমোনাই পীর

বাংলাদেশ

হাসান রাফি | ২৫ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ০৩:০৭ অপরাহ্ন

ইস’লামী আ’ন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্ম’দ রেজাউল করীম বলেছেন, ভোলায় নৃ’শংস হ’ত্যাকা’ণ্ড, আবরার হ’ত্যা, ক্যাসিনোর উদ্ভব, দেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি ও বৈধতার মোড়কে চু’রির মহোৎসব সরকারের নতজানু রাষ্ট্রনীতির বহিঃপ্রকাশ।

তিনি বলেন, এসব কারণে দেশ অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবারের ভারত সফরে যুগ যুগ ধরে অমীমাংসিত তিস্তা চুক্তি উপেক্ষা করে দেশের স্বার্থবিরোধী যেসব চুক্তি করেছেন তা সচেতন নাগরিকরা মেনে নিতে পারে না। আম’রা এদেশে সমুদ্রের পানিতে ভেসে আসিনি। পু’লিশের গু’লির ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। যদি ম’রতেই হয় বাঘের মতো হুংকার দিয়ে ম’রব।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশাল নগর ভবন সংলগ্ন ফজলুল হক এভিনিউ চত্বরে ইস’লামী আ’ন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল মহানগরের সদস্য সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

চরমোনাই পীর রেজাউল করীম বলেন, দেশে এখন সত্য কথা বলার পরিবেশ নেই। সরকার ফেরাউনের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। জনগণের টাকায় কেনা বুলেট জনগণের বুকে বিদ্ধ করছে সরকারের পু’লিশ বাহিনী। এটা বরদাশত করা হবে না। আমা’র মৃ’ত্যু কী’ভাবে হবে তা জন্মের সময় লেখা হয়েছে। বুলেটের ভয় দেখালেই ইস’লাম প্রতিষ্ঠার আ’ন্দোলন থেকে সরে যাব না আম’রা। ধ’র্ম নিয়ে কটূক্তিকারীদের মৃ’ত্যুদ’ণ্ডের বিধান রেখে আইন পাস করার আ’ন্দোলনে আমি ও আমা’র কর্মীরা মৃ’ত্যুর জন্য প্রস্তুত।

ইস’লামী আ’ন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল মহানগরের সদস্য সম্মেলনে জোহরের নামাজের পর থেকে আসতে থাকেন কর্মীরা। এতে সাধারণ মানুষও অংশ নেয়। তাদের উপস্থিতিতে সদস্য সম্মেলন জনসভায় পরিণত হয়।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ইস’লামী আ’ন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির ও বরিশাল মহানগর সভাপতি মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। তিনি বরিশাল সিটি মেয়রের সমালোচনা করে বলেন, মেয়র নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধি করেছেন, টিউবওয়েল বসাতেও টাকা নিচ্ছেন। খেটে খাওয়া অটোরিকশা চালকদের সঙ্গে বহুদিন ধরে টালবাহানা করছেন।

সম্মেলনে বিশেষ অ’তিথির বক্তব্য রাখেন ইস’লামী আ’ন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ। তিনি বলেন, বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদকে নি’র্মমভাবে পি’টিয়ে হ’ত্যা করে ক্যাম্পাসে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করার মাধ্যমে মানুষের বাকস্বাধীনতা হরণ করেছে ছাত্রলীগ। তারা আবরার হ’ত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানচিত্রকে হ’ত্যা করেছে। আম’রা মনে করি এর সঙ্গে উগ্রবাদী সংগঠন ইসকন সম্পৃক্ত। একই সঙ্গে ভোলায় হ’ত্যাকা’ণ্ডের নির্দেশদাতাদের সঙ্গে ওই সংগঠনের সম্পৃক্ততা আছে। সুতরাং বাংলাদেশে ইসকনের সব প্রকার কার্যক্রম বন্ধ করা এখন সময়ের দাবি।

বরিশাল মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা জাকারিয়া হামিদীর সঞ্চালনায় সদস্য সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন ইস’লামী শ্রমিক আ’ন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, জামিয়া ইস’লামিয়া মাহমুদিয়া মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব এবং ইস’লামী আ’ন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক মুফতি সৈয়দ এছহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের প্রমুখ।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • *
  • এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আরও খবর

    kidarkar