kidarkar

বুয়েট ছাত্র আবরারের পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

বাংলাদেশ

হাসান রাফি | ২৫ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ০২:৩৪ অপরাহ্ন

ছাত্রলীগের নি’র্মম নি’র্যাতনে নি’হত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদের পরিবারের বি’রুদ্ধে এবার অ’পপ্রচারে নেমেছে একটি চক্র।

১০ কোটি টাকা নিয়ে রফাদফা করে মুখ বন্ধ রেখেছেন বলে তার পরিবারের বি’রুদ্ধে এমন গুঞ্জন ছড়িয়েছে একটি কুচক্রী মহল। এমনটিই অ’ভিযোগ করেছেন আবরারের বাবা বরকতউল্লাহ ও তার পরিবারের সদস্যরা।

আবরারের মামাতো ভাই আবু তালহা রাসেল বলেন, কয়েকদিন ধরে আমাদের কাছে বিভিন্নজন ফোন দিয়ে জিজ্ঞাসা করছে সবকিছু মিটমাট হয়ে গেছে কিনা? অনেকে আবার কত টাকা নেয়া হয়েছে এমন কথাও বলছেন। এ নিয়ে আম’রা চরম বিব্রতকর অবস্থায় আছি।

আবরারের বাবা বরকতউল্লাহ বলেন, এ ধরনের কথা বিভিন্ন জায়গা থেকে শুনছি। আম’রা নাকি ১০ কোটি টাকা পেয়েছি।

তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, আম’রা কি ছেলের র’ক্ত বিক্রি করতে মা’মলা করেছি। এ ধরনের অ’পপ্রচার যারা চালাচ্ছেন তারা আবরার হ’ত্যার বিচার বাধাগ্রস্ত করতে চাচ্ছেন।

তিনি বলেন, আম’রা কি মুখ বন্ধ রেখেছি। আপনারা যা জিজ্ঞাসা করছেন আম’রা তারই উত্তর দিচ্ছি। আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আবরারের মা’মলা’টি তিনি নিজে মনিটরিং করছেন।

প্রধানমন্ত্রী আমাদের বলেছেন, আমাদের কোনো দায়িত্ব নেই, আবরারের খু’নিদের বিচারের দায়িত্ব তার।

বরকতউল্লাহ বলেন, আম’রা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবরারের মা’মলা’টি দ্রুত শেষ করে খু’নিদের ফাঁ’সির দাবি করেছি। টাকা নিলে তো খু’নিদের ফাঁ’সি দাবি করতাম না।

আবরারের বাবা বলেন, আম’রা শুনেছি আবরারের বিষয়ে হাইকোর্টে ১০ কোটি টাকার রিট করেছেন কোনো আইনজীবী। এর সঙ্গে আমা’র বা আমা’র পরিবারের কোনো স’ম্পর্ক নেই।

তিনি বলেন, আবরারের হ’ত্যাকা’ণ্ডের সব দৃশ্য সিসি ক্যামেরায় দেখে খু’নিদের চিহ্নিত করা গেছে এবং খু’নিরাও আ’দালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দিয়েছেন। তাই মা’মলায় সময়ক্ষেপণ করার কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি মা’মলা’টি দ্রুত বিচার আইনে শেষ করার দাবি জানান।

প্রসঙ্গত, গত ৬ অক্টোবর রাতে ছাত্রলীগের নি’র্মম নি’র্যাতনে নি’হত হন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ। ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি নিয়ে ৫ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন ফাহাদ।

পরদিন ৬ অক্টোবর রাতে শেরেবাংলা হলের নিজের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে ডেকে নিয়ে ২০১১ নম্বর কক্ষে বেধড়ক মা’রপিট করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃ’ত্যু হয়। পি’টুনির সময় নি’হত আবরারকে ‘শিবিরকর্মী’ হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা চালায় খু’নিরা।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • *
  • এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আরও খবর

    kidarkar