বাজে আম্পায়ারিংয়ের শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচ বন্ধ!

২০১৫ বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতের কাছে ১০৯ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু এই পরিসংখ্যান ১৬ কোটি বাংলাদেশির কাছে কয়েকটি মিথ্যা বানোয়াট সংখ্যা ছাড়া কিছুই নয়। তাদের চোখে আসল জয়ী বাংলাদেশ। নির্লজ্জ পক্ষপাতদুষ্ট আম্পায়ারিংয়ের সুবাদে কাগজে-কলমে জয়ী হয়েছে ভারত। জনতার চোখে জয়ী টাইগাররাই। ইতিহাস গড়ে কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়া বাংলাদেশকে জিতবেই হবে, এমন মাথার দিব্যি কেউ দেয়নি। তবে জয়ের স্বপ্ন ছিল। কিন্তু আম্পায়ারিংয়ের নামে বাংলাদেশকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশকে বিপক্ষে বাজে সিদ্ধান্ত দিতে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন আলিম দার, ইয়ান গোল্ড, কুমার ধর্মসেনাসহ বেশ কয়েকজন আন্তর্জাতিক আম্পায়ার। শ্রীলঙ্কার মাটিতে নিদাহাস ট্রফিতে জঘন্য আম্পায়ারিং দেখেছিল বিশ্ব। সাকিব আল হাসান তো রেগেমেগে সবাইকে মাঠ ছাড়তে বলেছিলেন। এবার সেই শ্রীলঙ্কার মাটিতে ‘এ’ দলের সিরিজেও প্রশ্নবিদ্ধ হলো আম্পায়ারিং। এ নিয়ে মাঠে বেশ উত্তেজনা ছড়ায়। কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায় ম্যাচ।

আজ সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১২০ রানের ওপেনিং জুটি এনে দিয়েছেন সাইফ হাসান ও মোহাম্মদ নাঈম। ২৩তম ওভারের দ্বিতীয় বলে সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় থাকা নাঈমকে রান-আউটের চেষ্টা ছিল শ্রীলঙ্কান ফিল্ডারদের। গায়ে বল লাগায় রান-আউট না হলেও আম্পায়াররা নাঈমকে দিয়েছেন ‘অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ড’ আউট। এতে আপত্তি জানায় বাংলাদেশ ‘এ’ দল।বাংলাদেশের দাবি, নাঈম ইচ্ছাকৃতভাবে ফিল্ডারকে বাঁধা দেননি। তিনি স্বাভাবিকভাবে প্রান্ত বদল করতে চেয়েছেন।

কিন্তু আম্পায়ার সেটা শুনতে নারাজ। পরিস্থিতি শান্ত না থাকায় ১০ মিনিটের মত খেলা বন্ধ ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আউটের সিদ্ধান্ত পাল্টায়নি। তবে ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ শিবির ম্যাচ রেফারির কাছে অভিযোগ দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।