আ’বরারকে এ’কাই ‘দে’ড়শ’ আ’ঘাত ক’রে অনিক

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শি’ক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পি’টি’য়ে হ’ত্যায় অং’শ নেয়ায় হ’তবা’ক অনিক স’রকার এবং মেহেদী হাসান রবিনের পরিবার। এরা দুজনই বুয়েটের চতুর্থ ব’র্ষের শি’ক্ষার্থী।

অনিকের বিভা’গ মে’কানিক্যা’ল ইঞ্জিনি’য়ারিং। আর রবিনের কেমি’ক্যা’ল ইঞ্জি’নিয়ারিং। দুজনেরই বাড়ি রাজশাহী। আবরার হ’ত্যায় এরা দুজন গ্রে’প্তা’র হওয়ার প’র থেকেই মু’ষড়ে প’ড়েছে তাদের পরিবার।

অনিক বুয়েট ছাত্রলী’গের প্র’চার ও গ’বেষণা স’ম্পাদক প’দে ছিলেন। আর রবিন ছিলেন সাংগঠ’নিক সম্পাদক। ইতিমধ্যেই তাদের সংগ’ঠন থেকে স্থা’য়ী ব’হিষ্কার করা হয়েছে। আর এ হ’ত্যাকা’ণ্ডে অং’শ নে’য়ায় চু’রমা’র হয়ে গেছে তাদের বাবা মায়ের স্বপ্ন। মেধাবি এ দুই শিক্ষার্থী আরেক মেধাবি শি’ক্ষার্থীকে পি’টিয়ে হ’ত্যার মতো লো’মহর্ষ’ক ঘ’টনা ঘ’টিয়েছেন তা তারা এখনও মা’নতেই পারছেন না।

অনিক সরকারের বাড়ি রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার ব’ড়ইকু’ড়ি গ্রামে। আবরার ফাহাদকে ম’দ্যপ অ’বস্থায় সবচে’য়ে বেশি মা’রধ’র করেছে অনিক।

জি’জ্ঞাসাবা’দে অনিক জানায়, আবরারকে অ’ন্তত দে’ড়শ বার আ’ঘাত করেন তিনি। মা’রধরে’র সময় নিজের ভূ’মিকার বিষয়েও জি’জ্ঞাসাবা’দে তথ্য দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, আবরার এ’কেক সময়ে এ’কেক তথ্য দি’চ্ছিলেন। এজন্য তার মা’থা গ’রম হয়ে যায়। ক্ষি’প্ত হয়ে তিনি তাকে বারবার মা’রছিলেন। ব’র্বরো’চিত নি’র্যাতনের একপ’র্যায়ে আবরার যখন নি’স্তেজ হয়ে প’ড়ছিলেন, তারা বলছিল- ‘ও ঢং ধ’রেছে’।

হা’মলাকারী’দের নানা প’রামর্শ দেন বুয়েট শাখা ছাত্রলী’গের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল। আবরার হ’ত্যা মা’মলায় গ্রে’ফতারকৃ’তরা রি’মান্ডে এ ঘ’টনায় তাদের প্র’ত্যেকের ভূ’মিকার কথা তুলে ধ’রেন।

কয়েকজন ‘অনুত’প্ত’ হয়ে গো’য়েন্দা’দের এও বলেন, ‘ক্র’সফা’য়ার ন’ইলে ফাঁ’সি দিয়ে দেন। ওই হ’ত্যার দা’য় নিয়ে বাঁ’চতে চা’ই না।’ এ’কাধিক দা’য়িত্বশী’ল সূ’ত্রে গ’তকা’ল এসব তথ্য পাওয়া গেছে।