বেরিয়ে আসছে নানা তথ্য : আবরারকে আগেও হু’মকি দিয়েছিলেন অমিত সাহা

বেশ কিছুদিন ধরেই আবরার ফাহাদকে ফেসবুকে নজরদারি করছিলেন বুয়েট ছাত্রলীগের কিছু নেতা। তাঁরা আবরারকে শিবির বলে সন্দেহ করেন। এ ছাড়া ভিন্ন মতাদর্শীদের কক্ষে ডেকে নিয়ে হুমকি ও নি*র্যাতন চালাতেন তাঁরা। ফেসবুক পোস্টের কারণে আবরারকে ২০১১ নম্বর রুমে ডেকে সতর্ক করেছিলেন বুয়েট ছাত্রলীগের অমিত সাহা।
অমিত
এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর সবুজবাগের কালিবাড়ি থেকে সকাল ১১টায় গ্রে’ফতার করা হয় অমিতকে। অমিত ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার আইনবিষয়ক উপসম্পাদক এবং পুরকৌশল বিভাগের ছাত্র।

গত ৩ অক্টোবর একটি ফেসবুক পোস্টের কারণে আবরারকে ২০১১ নম্বর রুমে ডেকে সতর্ক করেছিলেন অমিত সাহা। হ*ত্যাকা’ণ্ডের দিন রাসেল ও ফুয়াদ আবরারকে মা*রধর করার কথা বলেন। এটাকে তাঁদের ভাষায় ‘ট্রিটমেন্ট দিতে’ বলা হয়।

গত রবিবার রাতে আবরারকে হলের কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে যায় ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার কয়েকজন সদস্য। তাঁকে নি*র্যাতনের পর রাত আড়াইটার দিকে হলের সিঁড়ির পাশে আবরারকে ফেলে রাখে তারা। পরে ডাক্তারকে খবর দিলে তিনি এসে আবরারকে মৃ’ত ঘোষণা করেন।

আবরারের মৃ’ত্যুর পর দায়ের করা মা’মলায় ২০১১ নম্বর কক্ষের বাসিন্দা অমিতের নাম না থাকা নিয়ে চলছিল দেশজুড়ে বিতর্ক। সবশেষ এতে নতুন করে মাত্রা যোগ করে অমিতের একটি মেসেজ ফাঁ’স। যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ওঠে। এতে দেখা যায়, হ*ত্যাকা’ণ্ডের আগে আবরারের সহপাঠী এক শিক্ষার্থীকে অমিত মেসেঞ্জারে জিজ্ঞেস করেছেন, আবরার ফাহাদ কি হলে আছে? এ ধরনের একটি স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ১৭তম ব্যাচের ওই শিক্ষার্থী নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে না চাওয়ায় তারই এক সিনিয়র এ বিষয়টি ফেসবুকে প্রকাশ করেন। ‘আবরার হ*ত্যায় অমিত জ’ড়িত নয়’ বলে তার বন্ধুরা প্রথমে স্ট্যাটাস দিলেও পরে নতুন স্ক্রিনশটটি প্রচারিত হলে তারাও সম’র্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

সূত্র : কালের কন্ঠ