আরো ভয়ংকর ও শক্তিশালী হয়ে উঠছে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী

সামরিক শক্তি ও আঞ্চলিক আধিপত্যের দিক থেকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। গত কয়েক বছরে এই ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যথেষ্ট উন্নয়নের স্বাক্ষর রেখেছে। নতুন নতুন সমরাস্ত্র যুক্ত হয়েছে সশস্ত্র বাহিনীতে। নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়েছে মিং ক্লাস সাবমেরিন। চীনের সহায়তায় নির্মান করা হচ্ছে সাবমেরিন বেজ। সামনে আরো যুক্ত হতে পারে ডিজেল ইলেকট্রিক চালিত কিলোক্লাস সাবমেরিন।

এমন কি বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় নির্মান করা হচ্ছে একে৪৭ এর বাংলাদেশ ভ্যারিয়েন্ট বিডি-০৮, অত্যাধুনিক গ্রেনেড আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থা ম্যান প্যাড। সেনাবাহিনীতে যুক্ত হয়েছে শর্ট রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এফএম-৯০। বিমান বাহিনীতে যুক্ত হয়েছে স্বল্প ও মধ্যম পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থা এফএম-৯০ ও এলওয়াই-৮। ভবিষ্যতে যুক্ত হবে এইচকিউ-৯ যা রাশিয়ার বিখ্যাত এস-৩০০ চাইনিজ ভ্যারিয়েন্ট।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর জন্য নির্মান করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু এরোনটিক্যাল সেন্টার। যেখানে বিভিন্ন ড্রোন নির্মান ও বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান এসেম্বল করা হয়। এমন কি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী টি-৯০ ট্যাংক নিজের দেশেই মডিফাই করছে।

বর্তমান বিশ্বে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর অবস্থান ৪৫তম ২০১৯ সালে ১৩৩ টি দেশের মোট ৫০ টি বিষয় বিবেচনা করে একটি তালিকা প্রকাশ করেছে বিশ্লেষণধর্মী ওয়েবসাইট গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার (জিএফপি)। তবে পারমাণবিক শক্তি ও এর পরোক্ষ কৌশলগত বিষয়গুলো এই জরিপে বিবেচনায় নেওয়া হয় নি। তারপরও এই তালিকাতে বরাবরের মতই প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। এপরই চীন ও ভারতের অবস্থান। সামরিক শক্তির দিক থেকে সম্প্রতি ব্যাপক আলোচিত উত্তর কোরিয়াকে এবারের তালিকার ২৩তম স্থানে রাখা হয়েছে। মিয়ানমারের অবস্থান ৩১তম।

বর্তমানে সেনাবাহিনীর কাছে ৫৩৪ টি যুদ্ধ ট্যাঙ্ক, ৯৪২ টি সাজোয়া যান, ১৮টি স্বনিয়ন্ত্রিত আর্টিলারি গান ও ৩২ টি রকেট প্রোজেক্টর রয়েছে। এছাড়া বিমানবাহিনীতে মোট উড়োজাহাজ রয়েছে ১৬৬টি। আর বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বহরে ৬টি ফ্রিগেট, ৪টি ছোট আকারের যুদ্ধ জাহাজ, ২৮টি টহল জাহাজ ও ৫টি মাইন বহন ও অপসারণে সক্ষম জাহাজ রয়েছে।

বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের জন্য দূর্বার গতিতে ফোর্সের গোল-২০৩০ এর লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।