অবশেষে জানা গেলো যুবলীগ নেতার সেই ক্যাসিনোর টাকার ভাগ পেতেন যারা

অবৈধ ক্যাসিনো পরিচালনার দায়ে আটক ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বেশকিছু তথ্য পেয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। তবে তার দেওয়া তথ্য সঠিক কিনা যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ইতোমধ্যে খালেদের বিরুদ্ধে রাজধানীর মতিঝিল ও গুলশান থানায় আলাদা দু’টি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সার্বিক বিষয়গুলো নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে মনে করছেন তারা।

সেখানে তাকে আটকের পরে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে অনেক তথ্য। জানা যায় ক্যাসিনো থেকে উপার্জিত টাকার ভাগ কাদের কাছে যেত সে ব্যাপারেও।

কোটি কোটি টাকার ক্যাসিনো সেটাপ, নারী-পুরুষ এনে সেগুলো পরিচালনা করাসহ নানা অবৈধ কাজ চলতো ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার ক্যাসিনো ইয়ংমেন্স ক্লাবে।

জানা যায়, রাতভর জিজ্ঞাসাবাদে মতিঝিলের ক্যাসিনো পরিচালনার বিষয়টি মতিঝিল থানা পুলিশ, মতিঝিল জোন, পুলিশ সদর দফতর ও ডিএমপি সদর দফতরের কর্মকর্তারা জানতেন বলে জানিয়েছে খালেদ। তবে পুলিশের সঙ্গে ক্যাসিনো পরিচালনার জন্য কোনো আর্থিক লেনদেন ছিল কি না সে বিষয়ে স্পষ্টভাবে কিছু বলেননি তিনি।

ক্যাসিনোর ব্যাপারে পুলিশ ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্য সংস্থা এবং রাজনীতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিরা জানতেন বলে জানিয়েছে খালেদ। তাদের ম্যানেজ করে ক্যাসিনো চালাতেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন তিনি। তিনি আরও জানিয়েছে অনেককেই এই টাকার ভাগ দিতে হয়। তবে র‌্যাব সেইসব লোকের নাম প্রকাশ করেন নি।