বিধবা মা ও তার প্রেমিককে ছেলেরা এ কী শা’স্তি দিল!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: এই একুশ শতকে এসেও বর্ব’রতা থেমে নেই। বিধবা মা ও তার প্রেমিককে মাথা ন্যা’ড়া করে মূ’ত্রপা’ন করানোর অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। সোমবার এই বর্ব’র ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের রাজস্থান রাজ্যের নাগাউর জেলায়।

জানা গেছে, ওই নারীর স্বামী মা’রা যাওয়ার পর দুই ছেলেই ছিল বেঁ’চে থাকার অবলম্বন। কিন্তু, তাঁরাও মাকে সময় দিত না। বিধবা নারীর একাকীত্বে ভরা জীবনে হঠাৎই রঙ লাগে। বয়সে ছোট দূর সম্পর্কের এক আত্মীয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। ওই ব্যক্তিকেই আঁকড়ে ধরে বাকিটা জীবন বাঁচতে চান ৷ ছেলেদের অগোচরেই বেশ কয়েকদিন ধরে চলে তাঁদের সম্পর্ক। অবশেষে ভালবাসার টানে বাড়ি ছাড়েন ওই নারী। কিন্তু নাড়ির টান সামলাতে না পেরে, আবারও সেই বাড়িতেই ফিরে আসেন তিনি।

আর তারপরই ভ’য়ং’কর এক অভি’জ্ঞতার মুখোমুখি হন। বাড়ি ফিরতেই ছেলেদের অক’থ্য অ’ত্যা’চারের সম্মু’খীন হন তিনি ও তাঁর প্রেমিক। দুজনের মাথা ন্যা’ড়া করে মূ’ত্রপা’ন করানোর অভিযোগ উঠেছে ছেলেদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দু’জনকেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই সরব হয় নেটিজেনরা। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এ ঘটনার খবর পেতেই মঙ্গলবার ওই নারী ও তাঁর প্রেমিককে উদ্ধা’র করে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্ত দুই ছেলে মতিনাথ ও রাজনাথকে।

এদিকে, পুলিশের এএসপি নীতেশ আর্য জানান, দশদিন আগে প্রেমিকের সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান ওই নারী। তবে বেশিদিন বাড়ি ছেড়ে থাকতে পারেননি তিনি। কিছুদিন আগে প্রেমিককে নিয়ে গ্রামে ফিরে আসেন। মা ফিরেছে জেনেই রু’দ্রমূ’র্তি ধা’রণ করে তাঁর দুই ছেলে। সোমবার দুজনকে মা’রধ’র করে অভি’যুক্তরা। তাঁদের ন্যা’ড়া করে পুরো গ্রামে ঘো’রানো হয়। এতেও রো’ষ না মে’টায়, তাঁদের মূ’ত্রপা’ন করানো হয়।

পুলিশ বলছে, দুই ছেলে জানিয়েছে, ৩৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির সঙ্গে বিধবা মায়ের সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি তারা। এ বিষয়ে প্রতিনিয়ত পরিচিতদের গঞ্জ’নার মুখে পড়তে হয়েছে তাদের। সেই আ’ক্রো’শ থেকেই মা ও তার প্রেমিকের ওপর অত্যা’চার করেছে তারা।

জানা গেছে, ওই ঘটনার ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষি’প্ত হন নেটিজেনরা। প্রশ্ন উঠেছে, যে দেশে বিধবা বিবাহ আইনসিদ্ধ বিষয়, সেখানে একুশ শতকে দাঁড়িয়ে এ ধরনের ঘটনা কীভাবে ঘটতে পারে।

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন