মহাকাশে সিমেন্ট গুলছে নাসার বিজ্ঞানিরা, চাঁদে বানানো হবে বাড়ি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

rana miya | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ০৪:৩৫ অপরাহ্ন

বিচিত্র জগৎ ডেস্ক : অনেক আগে থেকেই বিজ্ঞানিদের মাঝে ছিল কৌতুহল। চাঁদে কি বাড়ি বানানো যায়? সে প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য বিভিন্ন সময় গবেষনা চালাচ্ছিলেন মহাকাশ বিজ্ঞানিরা। এবার তাদের গবেষণাকে আরেকধাপ এগিয়ে নিলেন বিজ্ঞানিরা। এবার মহাকাশে সিমেন্ট গুলছেন নাসার বিজ্ঞানিরা। সূত্র : দ্য ওয়াল।

নতুন এ গবেষনার নাম ‘মাইক্রোগ্র্যাভিটি ইনভেস্টিগেশন অব সিমেন্ট সলিডিফিকেশন (এমআইসিএস)।’এ নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে (আইএসএস) এখন ব্যস্ততা তুঙ্গে। মহাসমারোহে চলছে কার্যক্রম। গত কয়েক মাস ধরেই এ প্রক্রিয়া চলছে সমানে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে সব কিছুই প্রায় ওজন শূন্য দশায় থাকে। সেখানে নিচে টেনে নামানোর ‘শক্তি’ অভিকর্ষ বলটাই নেই। যাকে বলে, ‘মাইক্রোগ্র্যাভিটি’। মহাকাশের ওজন শূন্য অবস্থা বা মাইক্রোগ্র্যাভিটির মায়া কাটিয়ে সিমেন্ট যদি একবার শক্ত হয়ে এঁটে বসে, তাহলেই কেল্লাফতে! চাঁদে বানানো হবে বাড়ি।

এ মাইক্রোগ্র্যাভিটিকে চ্যালেঞ্জ করেই মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার প্রজেক্ট সিমেন্ট সলিডিফিকেশন। অর্থাৎ এই বিনা-অভিকর্ষজ বলের মধ্যেই সিমেন্টকে নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে মিশিয়ে, জমিয়ে শক্ত করা। নাসার এ প্রকল্পের পোশাকি নাম, এই জমানো সিমেন্ট হবে বর্ম- এমনটাই জানিয়েছে নাসা। পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরতে থাকা এ আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে তেজস্ক্রিয় রশ্মিরা আগেও হানা দিয়েছিল। সিমেন্টের বর্ম থাকলে যে কোনো মহাজাগতিক রশ্মির হাত থেকে মহাকাশচারীদের বাঁচানো যাবে। পাশাপাশি তাপমাত্রার ভারসাম্য বজায় থাকবে। নাসার পরবর্তী মিশন চাঁদে ও মঙ্গলে মানুষ পাঠানো।

এ প্রকল্প সফল হলে আগামী দিনে চাঁদে বাড়ি বানাতে কোনো সমস্যাই হবে না। সমাধান মিলবে মঙ্গলে থাকা নিয়ে প্রশ্নেরও। পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর আলেকসান্দ্রা রাডলিঙ্কসা জানিয়েছেন, সিমেন্ট সলিডিফিকেশন প্রজেক্টে সাফল্য মিললে শুধু নাসা নয়, বিশ্বের যে কোনো দেশের মহাকাশচারীদের অনেক সুবিধা হবে।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • *
  • এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আরও খবর

    kidarkar
    kidarkar