গর্জে উঠেছে পাকিস্তান এবার যেকোনো মুহূর্তে ভারতে হামলার আশঙ্কা

কাশ্মীর নিয়ে ভারতের সিদ্ধান্তের ফলে সেদেশের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারসহ চির প্রতিদ্বন্দ্বী এই প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সকল স’ম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান,ইতিমধ্যে তারা বন্ধ করেছে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যও।নরেন্দ্র মোদীর সরকার কাশ্মীরের ভারত

নিয়ন্ত্রিত অংশের বিশেষ সাংবিধানিক ম’র্যাদা রদ করে কেন্দ্রের শাসন জারি করেই ক্ষান্ত হয়নি আগামীতে পাক-অধিকৃত কাশ্মীর ও দখলের চিন্তাও করছে।এদিকে ভারত সরকারের এমন সিদ্ধান্তে ফুঁসে উঠেছে
পাকিস্তান।

তবে সরাসরি ল’ড়াইয়ে না গেলেও পাক সেনা অন্য ষ’ড়যন্ত্র করছে বলে সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন।গতকাল বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে বলা হয়,মুম্বই-সহ ভারতের

একাধিক শহরে লস্কর-ই-তইবাকে হা’মলা চালানোর নির্দেশ দিয়েছে পাক সেনা ও আই’এসআই৷ ইতিমধ্যে হা’মলার আশ’ঙ্কায় সতর্কবার্তা জারি করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগু’লি৷স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পেশ করা রিপোর্টে গোয়েন্দারা জানিয়েছেন,আফগানিস্তানে প্রশিক্ষণরত লস্কর জ’ঙ্গিদের একটি দলকে ভারতে হা’মলা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷

পাকিস্তানে ভারত বিরোধী বি’ক্ষোভ ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের অধিবাসীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বি’ক্ষোভ করেছে পাকিস্তানিরা।শুক্রবার (৯ আগস্ট) জুমা’র নামাজের পর বি’ক্ষোভ করেছে পাকিস্তানিরা।রাজধানী ইস’লামাবাদসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে জুমা’র নামাজের পর বি’ক্ষোভের আয়োজন করা হয়।পাকিস্তানের বি’ক্ষোভ থেকে কাশ্মীরের জনগণের বি’রুদ্ধে ভারত সরকারের দমন-পীড়ন বন্ধের দাবি জানানো হয়।

এ সময়এ সময় বি’ক্ষোভকারীদের হাতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বি’রুদ্ধে স্লোগান লেখা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড শোভা পাচ্ছিল। পাকিস্তানি বি’ক্ষোভকারীরা কাশ্মীরীদের সাহায্যে এগিয়ে আসতে গোটা বিশ্বের মানুষের প্রতি আহ্বান জানান।

তারা সাংবাদিকদের বলেছেন, ভারত সরকার গোটা কাশ্মীরকে কারাগারে পরিণত করেছে। তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সোচ্চার না হলে ভারতীয় সেনাবাহিনী সেখানে নি’র্মম গণহ’ত্যা চালাবে বলে তাদের আশ’ঙ্কা। গত সোমবার (৫ আগস্ট) ভারত সরকার জম্মু কাশ্মীরের বিশেষ ম’র্যাদা বাতিল করে সেখানে অনির্দিষ্ট’কালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে রেখেছে।ভারতের কাশ্মীরে চলমান অচলাবস্থার শেষ হয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে ভরসা দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।গতকাল কাশ্মীরিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ঈদ সামনে।

সবাইকে শুভকামনা। জম্মু-কাশ্মীরে ঈদের সময় যেন কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখছে সরকার। আসুন সবাই মিলে ভারতের সঙ্গে নয়া জম্মু-কাশ্মীর ও নয়া লাদাখ নির্মাণ করি।’নরেন্দ্র মোদির সে আশ্বা’সের
পর আজ (শুক্রবার) পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।শুক্রবার সকালে ফোন পরিষেবা এবং ইন্টারনেট আংশিকভাবে চালু করা হয়।জুমা’র নামাজ আদায়ের

সুবিধার্থে রাস্তাঘাটে চলাচল-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়।তবে নগরীর শ্রীনগরে অবস্থিত প্রধান ম’সজিদে নামাজ আদায় করতে পারেনি মু’সলমানরা অভ্যন্তরীণ ছোট ছোট