এবার সংঘর্ষ থামাতে মাঠে নামলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

আরিফুল ইসলাম সুমন, সরাইল প্রতিনিধি : গত আটদিনের ব্যবধানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে অন্তত ছয়টি ছোটবড় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব সংঘর্ষের ঘটনায় থানার ওসি সহ অন্তত দুই শতাধিক মানুষ আহত হন। পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা দেয়া সহ ভুক্তভোগী লোকজন বাদী হয়ে থানায় এসব ঘটনায় একাধিক মামলা দেয়। আটক করা হয় বেশকয়েকজনকে।

সর্বশেষ বুধবার (১৪ আগস্ট) সকালে উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দু’দলের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। বিকেলে সদরের কুট্টাপাড়া এলাকায় তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে সরাইলে একের পর এক সংঘর্ষের ঘটনায় বিভিন্ন মহলে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এতে বিশেষ করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর।

কারণ সম্পর্কে জানতে গেলে স্থানীয় সুশীল সমাজের অনেকে জানান, “তিনি (চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর) সরাইল উপজেলার একজন অভিভাবক। এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি নানা উদ্যোগ নিবেন, এটাই শান্তি প্রিয় মানুষদের প্রত্যাশা। কিন্তু তিনি এসব ঘটনায় চোখে পড়ার মতো কার্যত তেমন কোনো ভূমিকা না রাখায় সাধারণ মানুষ আশাহত হয়েছেন।

অপরদিকে উপজেলা চেয়ারম্যানের দাবি, ‘তিনি এখানকার দাঙ্গা -সংঘর্ষ নিরসনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। দাঙ্গা প্রতিরোধে তিনি প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে নানা উদ্যোগ নিচ্ছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর সরাইলের দাঙ্গা-হাঙ্গামা-সংঘর্ষ প্রতিরোধে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতামূলক সভা, সেমিনার করে তিনি সরাইলকে দাঙ্গামুক্ত করার চেষ্টা করছেন।

এদিকে বুধবার সরাইলের নোয়াগাঁও গ্রামে দু’দলের সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রনে পুলিশের পাশাপাশি হ্যান্ডমাইক হাতে নিয়ে কর্দমাক্ত মাঠে নেমে পড়েন চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর। এসময় বিষয়টি এলাকার মানুষের অনেকেই নজর কাড়ে।

এ ব্যাপারে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহাদাত হোসেন টিটো বলেন, এখানকার সংঘর্ষ নিরসনে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। এসব বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে পুলিশের পাশাপাশি উপজেলা চেয়ারম্যান নিজেও কাজ করে যাচ্ছেন।